WBSSC Class 11-12th Rejected Candidates। ৬টি বিষয়েই ৪০৭ জন বাদ! কারা একাদশ-দ্বাদশে চাকরি পাবেন না?

Spread the love

ভেরিফিকেশন পর্যায় থেকেই একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ৪০৭ জনের নাম বাদ পড়ল। স্কুল সার্ভিস কমিশনের (এসএসসি) তরফে যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে ছ’টি বিষয়ের (বাংলা, কমার্স, কম্পিউটার সায়েন্স, ইংরেজি, ইতিহাস এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান) বাতিল প্রার্থীদের নাম দেওয়া হয়েছে। ওই ছ’টি বিষয়ের মধ্যে সবথেকে নাম বাদ গিয়েছে রাষ্ট্রবিজ্ঞান থেকে। তারপরই আছে ইতিহাস। সবথেকে কম নাম বাদ গিয়েছে বাংলা এবং কম্পিউটার সায়েন্স থেকে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, ভেরিফিকেশন পর্যায়েই বাতিল প্রার্থীর তালিকা আরও লম্বা হবে। কারণ আপাতত মাত্র ছ’টি বিষয়ের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) পর্যন্ত ভেরিফিকেশন চলবে। তারপর সব বিষয়ের যখন তালিকা প্রকাশ করা হবে, তখন বোঝা যাবে যে কতজনের নাম বাদ গেল। বর্তমানে ধাপে-ধাপে বাতিল প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করছে এসএসসি। প্রথমে বাংলা এবং ইংরেজির তালিকা প্রকাশ করেছিল। তারপর কমার্স, কম্পিউটার সায়েন্স, ইতিহাস এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞানের তালিকাও প্রকাশ করল। যে প্রার্থীদের বাতিল তালিকায় থাকছে, তাঁরা ইন্টারভিউ এবং ডেমো ক্লাসে ডাক পাবেন না। তাঁদের চাকরি পাওয়ার আশা শেষ হয়ে গেল। বাকিদের ইন্টারভিউয়ে ডাকা হবে।

এসএসসির একাদশ-দ্বাদশের ভেরিফিকেশন ও ইন্টারভিউ

এমনিতে গত ১৪ সেপ্টেম্বর একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা হয়েছিল। তারপর ফলপ্রকাশ করা হয়েছে। পরবর্তীতে প্রাথমিক একটি তালিকা প্রকাশ করে এসএসসির তরফে জানানো হয় যে ইন্টারভিউয়ে কাদের কাদের ডাকা হবে। তবে তার আগে প্রার্থীদের ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন বা নথি যাচাইয়ের জন্য ডাকা হয়। ১৮ নভেম্বর থেকে নথি যাচাই চলছে। কমিশনের তরফে আগেই জানানো হয়েছিল যে নথি যাচাইয়ের সময় যদি কোনও ভুল থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের নাম বাদ যাবে।

কোন বিষয়ে কতজনের নাম বাতিল হয়েছে?

১) বাংলা: ৩৩ জন।

২) কমার্স: ৬০ জন।

৩) কম্পিউটার সায়েন্স: ৩৩ জন।

৪) ইংরেজি: ৭৪ জন।

৫) ইতিহাস: ৮২ জন।

৬) রাষ্ট্রবিজ্ঞান: ১২৫ জন।

হাইকোর্টে চলছে এসএসসি মামলা

তারইমধ্যে এসএসসি নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা চলছে। সব দাগি অযোগ্য প্রার্থীদের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। তারইমধ্যে অভিজ্ঞতার জন্য যে ১০ নম্বর দেওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা। আগামিকাল আবার হাইকোর্টে মামলার শুনানি আছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *