দুয়ারে সরকার শিবিরের প্রথম দুই দিনে বাংলার বেকারদের ভিড়। রিপোর্ট অনুযায়ী, যুবসাথী প্রকল্পে ১৪ লক্ষের বেশি ‘বেকার’ নাকি আবেদন জানিয়ে ফেলেছেন ইতিমধ্যেই। উল্লেখ্য, ১৫ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে অনলাইনেও আবেদন করা যাচ্ছে যুবসাথী প্রকল্পে। এমএ পাশ থেকে শুরু করে পিএইচডি, বিটেক পাশ করা যুবকরা পর্যন্ত চাকরি না পেয়ে যুবসাথী প্রকল্পের সুবিধা পেতে লাইনে দাঁড়িয়েছেন এই বাংলায়। উল্লেখ্য, আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত (ছুটির দিন বাদে) বিভিন্ন শিবিরে গিয়ে যুবসাথীর জন্য আবেদন করা যাবে। আবার অনলাইনেও https://apas.wb.gov.in ওয়েবসাইটে গিয়ে যুবসাথীর জন্য আবেদন করতে পারবেন।
রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রথম দিনে ‘যুবসাথী’ প্রকল্পে মোট আবেদনকারীর সংখ্যা ছিল ৬ লক্ষ ৫৫ হাজার ৮৯৩ জন। সোমবার তা এক লাফে বেড়ে হয়েছে ৮ লক্ষ ৮০ হাজার ৫৫৭। সব মিলিয়ে সোমবার বিকেল পর্যন্ত রাজ্যের সব জেলায় ১৬০৪ টি শিবিরে শুধু যুবসাথী প্রকল্পেই আবেদন করেছেন ১৩ লক্ষ ৪৪ হাজার ৮১২ জন। অনলাইনেও লক্ষাধিক আবেদন জমা পড়েছে যুবসাথীর প্রকল্পের জন্য। এই আবহে যুবসাথীর আবেদনকারীর মোট সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ১৪ লক্ষ ৬৪ হাজার ৮১২টি।
এদিকে যুবসাথী প্রকল্পে সবচেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়েছে মুর্শিদাবাদ জেলায়। যুবসাথী আবেদন জমা পড়ার সংখ্যায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। তারপর বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া। এরপর ক্রমপর্যায়ে তালিকায় আছে উত্তর ২৪ পরগনা, হুগলি, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, হাওড়া, নদিয়া, পূর্ব মেদিনীপুর, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি, বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমান, দক্ষিণ দিনাজপুর, কলকাতা। এদিকে যুবসাথী প্রকল্পে সব থেকে কম আবেদন মিলেছে কালিম্পং, দার্জিলিং, ঝাড়গ্রাম এবং আলিপুরদুয়ারে।
