‘জরুরি অবস্থার মতো…’ আন্দোলন অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার সিজেপি-র

Spread the love

CJP Protest: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা করেছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। রবিবার দিল্লিতে এক সংবাদিক সম্মেলনে সিজেপির যুগ্ম আহ্বায়ক তথা মুখপাত্র সৌরভ দাস বলেন, ‘সারা দেশে জরুরি অবস্থার মতো পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে।’

এদিন সৌরভ দাস অভিযোগ করেছেন, বিক্ষোভকে ঘিরে রাজধানীকে কার্যত অচল করে দেওয়া হয়েছিল এবং আটক অবস্থায় তাঁদের আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন তাঁদের মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে এবং সেগুলো হ্যাক বা ক্লোন করা হতে পারে। সৌরভ দাস দাবি করেছেন, বাজেয়াপ্তের কোনও মেমো দেওয়া হয়নি এবং পরে এই ফোনগুলোতে নথি বা অন্যান্য উপাদান স্থাপন করে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহারের আশঙ্কা রয়েছে। জ্ঞানেশ কুমারকে ‘প্রকৃত দেশবিরোধী’ বলে আখ্যা দিয়ে সৌরভ দাবি করেন, এ ধরনের দমনপীড়ন সরকারের পতনকেই ত্বরান্বিত করবে। এই পরিস্থিতিতে তিনি সবাইকে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

সিজেপি নেতা আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, ‘এই লড়াই এখন শুরু হয়ে গিয়েছে।’ বিক্ষোভকে যেভাবে যুদ্ধের মতো পরিস্থিতিতে পরিণত করা হয়েছে, তা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের লজ্জা পাওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি। গত ১০ অক্টোবর দিল্লি বিমানবন্দরে অবতরণের পর পুলিশ সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা ও অভিজিৎ দীপকেকে প্রিভেন্টিভ ডিটেনশনে নেয়। পরদিন তাঁদের দিল্লি ক্যান্টের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয় এবং ৫০ হাজার টাকার জামানতে মুক্তি দেওয়া হয়। মুক্তির পর প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক বৈঠক করেন সিজেপি-র যুগ্ম আহ্বায়ক আশুতোষ রাঙ্কা এবং সৌরভ দাস। সঙ্গে ছিলেন সিজেপি-র লিগ্যাল টিমের প্রধান রত্না সিং। শনিবার পুলিশ কী ভাবে তাঁদের আটক করেছিল, তার বর্ণনা দেন। সিজেপি নেতৃত্ব অবশ্য এটিকে আটক না-বলে ‘অপহরণ’ বলে অভিহিত করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *