দেশু ৭ নিয়ে নেগেটিভ রিভিউতে আইনি নোটিস! কী যুক্তি দেবের?

Spread the love

দেশু ৭ মুক্তির পর বেশ কয়েকজন ইউটিউবারকে আইনি নোটিস পাঠান দেব। নির্মাতাদের সূত্রে খবর, প্রিন্স, রূপম নামে বেশ কয়েকজন ইউটিউবার ইচ্ছাকৃতভাবে ‘দেশু ৭’ ছবির নেগেটিভ রিভিউ করেছে বলে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি পথেই হাঁটেন দেব। প্রসঙ্গত, নেগেটিভ রিভিউ যে ইউটিউবারদের দিয়ে করানো হতে পারে, সে আশঙ্কা আগেই পোস্ট করেছিলেন দেব।

মঙ্গলবার রাখা হয়েছিল ছবির স্পেশাল স্ক্রিনিং। যেখানে দেশু ৭ দেখতে হাজির হয়েছিলেন তারকারা। এমনকী, ছবির নায়িকা অর্থাৎ শুভশ্রীর স্বামী পরিচালক রাজ চক্রবর্তীও আসেন ছবি দেখতে। আর সিনেমা শেষের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। সেখানেই দেবকে প্রশ্ন করা হয় এই আইনি নোটিস নিয়ে।

আর জবাবে দেবকে বলতে শোনা যায়, ‘কারও প্রতি কোনো রাগ নেই, ক্ষোভ নেই। আমার মনে হয়েছে আমার সবরকম অধিকার আছে আমার সিনেমাকে, আমার সন্তানকে রক্ষা করার।’

দেব জানান, বহু কারণেই এই নেগেটিভিটি চলছে। তিনি হয়তো কোনো ইনফ্লুয়েন্সারকে দিয়ে ছবির মিউজিক করিয়েছেন, এবার সেই ইনফ্লুয়েন্সারকে যারা পছন্দ করে না, তাঁরা দেশু ৭ নিয়ে ট্রোল করছে। আবার এক মহিলা পডকাস্টে ডেকেছে। দেব জাননি বলে, সে ভিডিয়ো করে বলছে, ‘দেব ওমুক করছে, তমুক করছে’!

দেবের আরও যুক্তি এই নেতিবাচকতার চক্করে যদি বাংলা ছবির ব্যবসা কমে, তাতে ছবির সংখ্যাতেও ছাপ পড়বে। আর ছবি কম হলে, ভিডিয়োও কম বানাতে পারবেন ইউটিউবার বা ইনফ্লুয়েন্সাররা। অর্থাৎ তাঁদের রোজগারেও পড়বে ছাপ। তাই বর্তমানে গোটা ইন্ডাস্ট্রির উচিত একে-অপরের পাশে থাকা। দেবের কথায়, ‘জানি নেগেটিভ জিনিসে ভিউ বেশি হয়। এবার আমার প্রশ্ন, তোমরা তোমাদের ভিউজের জন্য নেতিবাচকতা তৈরি করতে পারো, আর আমি আমার ছবিকে রক্ষা করতে পারি না? তোমাদের সংসার চলে ভিউজে, আমার সংসার চলে টিকিটে।’

দেশু ৭-এর মাধ্যমে অভিনেতা দেব প্রথমবারের মতো পূর্ণাঙ্গ পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন। এটি প্রযোজনা করেছে দেব এন্টারটেনমেন্ট ভেঞ্চার্স। ১৪ বছর পর এই সিনেমার মাধ্যমে দেব ও শুভশ্রী জুটি বড় পর্দায় একসঙ্গে কামব্যাক হয়েছে। সীমান্তপুরে বাংলাদেশি সন্ত্রাসবাদী হামলায় ভারতীয় জওয়ানদের মৃত্যুর পর, অপরাধীদের শাস্তি দিতে জেল থেকে ফিরিয়ে আনা হয় একসময়ের আইপিএস অফিসার ও খুনের অপরাধী দেবাদিত্যের (দেব) চরিত্রকে। তাকে যুক্ত করা হয় ‘প্রজেক্ট দেশর সুরক্ষা’ বা ‘দেশু’-তে। সীমান্তে পৌঁছে দেব আবিষ্কার করে যে সেখানকার প্রভাবশালী চৌধুরী পরিবারের বড়দা অনুজয় চৌধুরীর স্ত্রী হলেন তার জীবনের একসময়ের পুরোনো প্রেমিকা ডাঃ শুভস্মিতা। পেশাগত মিশন এবং পুরোনো প্রেমের নস্ট্যালজিয়ার দ্বৈরথ নিয়েই এগোয় ছবির গল্প।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *