হিরণের দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে যা বললেন মেয়ে নিয়াশা

Spread the love

হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় বিয়ে ঘিরে বিতর্ক এখন তুঙ্গে। খড়গপুরের বিজেপি বিধায়ক তথা অভিনেতা মঙ্গলবার নিজেই সমাজমাধ্যমের পাতায় তাঁর দ্বিতীয় বিয়ের ছবি পোস্ট করেন। এরপরই নায়কের বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর অভিযোগ আনেন তাঁর প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতা চট্টোপাধ্যায়। তিনি জানান তাঁর স্বামীর সঙ্গে আইনি ভাবে ডিভোর্স হয়নি তাঁর। তারপর বুধবার রাতে স্বামীর নামে অভিযোগ দায়ের করতে মেয়েকে নিয়ে থানায় গিয়েছিলেন অনিন্দিতা। সেখানেই বাবার দ্বিতীয় বিয়ে প্রসঙ্গে মুখ খুললেন নায়কের মেয়ে নিয়াশা চট্টোপাধ্যায়।

এদিন থানা থেকে বেরিয়ে নিয়াশাকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি স্যোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে দেখলাম। মা আমাকে সেদিন ফোন করে বলে, ফোনটা একবার খুলে দেখ আমি কিছু পাঠিয়েছি। তখন ফোন খুলে দেখি বাবার বিয়ের ছবি। আমার মা আমার পাশে বসে কাঁদছে। কোনও মেয়ে কী বলবে এটায়? আমি জানতামও না। আমি আমার অন্য বন্ধুদের বাবাকে যখন দেখি তখন মনে হয় আমার বাবা এসব করছে। উনি বাবা ও স্বামী হিসেবে ব্যর্থ।’

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার হিরণ ঋতিকা গিরির সঙ্গে তাঁর বিয়ের ছবি পোস্ট করেন বেনারসে তাঁরা সাতপাকে বাঁধা পড়েছিলেন। আর তারপর থেকেই এই সব নিয়ে শুরু হয় বিরাট জলঘোলা।

তারপর অনিন্দিতা নায়কের বিরুদ্ধে গুরুত্বর অভিযোগ আনার পর বুধবার সন্ধ্যায় একটি পোস্ট করে জানান ঋতিকা জানান যে, মঙ্গলবার নয়, অনেক আগেই তিনি ও হিরণ বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন। হিরণ তাঁর প্রথম স্ত্রীকে নাকি ডিভোর্সের নোটিশও পাঠিয়ে ছিলেন। আর অনিন্দিতা নাকি তাঁদের বিয়ের ব্যাপারেও জানতেন।

ঋতিকা তাঁর পোস্টে লিখেছিলেন, ‘১. আমার বয়স সম্পর্কে ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছে। ২. ওঁকে ডিভোর্সের আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে। ৩. এই বিয়ে আমরা অনেক আগেই করেছি। গত পাঁচ বছর ধরে আমরা একসঙ্গে আছি এবং এই সব বিষয় অনিন্দিতা জানতো। আমার সব সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টও পাবলিক ছিল। কোনও কিছুই লুকোনো ছিল না। তা হলে এত বছর তিনি কোথায় ছিলেন, কেন তখন কোনও প্রশ্ন তোলেননি? ৪. তিনি বলেছেন, সম্প্রতি একসঙ্গে থাকা হয়েছে মোটামুটি ছয় মাস। এটা পুরোপুরি ভুল। ছয় মাসের জন্য কোনওদিনই একসঙ্গে থাকেনি। হিরণ নিজের মেয়ের সঙ্গে ছিল ২০২৪-এর ৯ নভেম্বর থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শুধুমাত্র কিছু ব্যক্তিগত কাজের জন্য। তার মধ্যে মেয়ের জন্মদিন পড়েছিল।’ যদিও থানা থেকে বের হয়েই ঋতিকার এই সব দাবিকে নস্যাৎ করে দিয়ে অনিন্দিতা, এই সব দাবির বিরুদ্ধে যুক্তিও দেন তিনি। সঙ্গে তাঁর আইনজীবিও ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *