Kolkata LPG Price Hike from 1st October: উৎসবের মরসুম শুরু হওয়ার মুখেই গ্যাসের দামে ধাক্কা। তবে স্বস্তির কথা, এই দফায় বাড়ির রান্নার ১৪.২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বদলায়নি। দাম বেড়েছে ১৯ কেজির বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের। ১ অক্টোবর থেকে দেশের বিভিন্ন শহরে এই সিলিন্ডারের দাম ৬২.৫০ টাকা থেকে ৭১.৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। ফলে রেস্তোরাঁ, হোটেল, খাবারের দোকান, ক্যাটারিং এবং নানা ছোট ব্যবসার খরচে এর প্রভাব পড়তে পারে।
দিল্লিতে ১৯ কেজির বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম সেপ্টেম্বর মাসে ছিল ২৭৪৭.৫০ টাকা। অক্টোবরের শুরুতেই তা ৬২.৫০ টাকা বেড়ে হয়েছে ২৮১০ টাকা। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে ফের দাম বাড়ল বাণিজ্যিক গ্যাসের। পাটনায় এই বৃদ্ধি আরও বেশি। সেখানে ১৯ কেজির সিলিন্ডার ৭১.৫০ টাকা বেড়ে হয়েছে ৩১০০.৫০ টাকা। সেপ্টেম্বর মাসে দাম ছিল ৩০২৯ টাকা। এদিকে কলকাতায় ১৯ কেজির বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক ধাক্কায় ৭০ টাকা বাড়ছে। ফলে ১ অক্টোবর থেকে কলকাতায় বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম দাঁড়াচ্ছে ২৯৫৪ টাকা। তবে গৃহস্থের রান্নার গ্যাসের দামে কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না। ১৪.২ কেজির গৃহস্থালির সিলিন্ডার আগের মতোই ৯৬৮ টাকা থাকবে।
মুম্বইয়েও বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম বেড়েছে ৬৩ টাকা। ২৭০১ টাকা থেকে তা এখন হয়েছে ২৭৬৪ টাকা। চেন্নাইয়ে সেপ্টেম্বরের ২৯১৬.৫০ টাকা থেকে দাম বেড়ে হয়েছে ২৯৮৩ টাকা। লখনউয়ে ২৮৭০ টাকা থেকে বেড়ে নতুন দাম ২৯৩২.৫০ টাকা। অর্থাৎ সেখানে এক ধাক্কায় ৬২.৫০ টাকা বেশি দিতে হবে ব্যবসায়ীদের।
শুধু বড় শহর নয়, দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তেও একই ছবি। আহমেদাবাদে ১৯ কেজির বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম এখন ২৮৩১.৫০ টাকা। কন্যাকুমারীতে নতুন দাম ৩০৪৬ টাকা। উত্তর পূর্বের তাওয়াংয়ে ১৯ কেজির সিলিন্ডার পৌঁছেছে ৩০৭৩.৫০ টাকায়। সবচেয়ে বেশি দাম দিতে হচ্ছে লেহতে। সেখানে বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম ৩৩৮৫.৫০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৩৪৫০ টাকা।

তবে গৃহস্থদের জন্য আপাতত নতুন কোনও চাপ নেই। দিল্লিতে ১৪.২ কেজির ঘরোয়া সিলিন্ডারের দাম ৯৪২ টাকা। মুম্বইয়ে তা ৯৪১.৫০ টাকা। পাটনায় ঘরোয়া সিলিন্ডারের দাম ১০৩১.৫০ টাকা। লখনউয়ে ৯৭৯.৫০ টাকা এবং আহমেদাবাদে ৯৪৯ টাকা। কন্যাকুমারীতে ঘরোয়া সিলিন্ডারের দাম ১০২৬ টাকা এবং তাওয়াংয়ে ১০০৭.৫০ টাকা। এই দফায় এই দামে কোনও পরিবর্তন করা হয়নি।
প্রশ্ন উঠছে, বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম কেন বাড়ল? ইন্ডিয়ান অয়েলের তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির দামের ওঠা নামা এবং বৈদেশিক মুদ্রার দরের মতো বিষয় বাণিজ্যিক এলপিজির দাম নির্ধারণে প্রভাব ফেলে। রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলি আন্তর্জাতিক বাজারের গড় দামের সঙ্গে মুদ্রার দর বিবেচনা করে দাম ঠিক করে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে খরচ বাড়লে দেশের বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দামও বাড়তে পারে।