PCB asking money from Nepal T20 League। নেপালি লিগে প্লেয়ারদের NOC দিতেও ‘তোলাবাজি’ পাকিস্তান বোর্ডের

Spread the love

PCB asking money from Nepal T20 League: নেপালের টি-টোয়েন্টি লিগ থেকেও নাকি কাটমানি খাওয়ার চেষ্টা করছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। সূত্র উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যম ক্রিকইনফোর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, নেপাল টি-টোয়েন্টি লিগে (নেপাল প্রিমিয়ার লিগ) পাকিস্তানিদের খেলার ছাড়পত্র (নো অবজেশন সার্টিফিকেট বা এনওসি) দেওয়ার বিনিময়ে মাথাপিছু ২৪,০০০ টাকার মতো কাটমানি চাইছেন মহসিন নকভিরা। এমনকী যাঁদের প্রাথমিকভাবে এনওসি দেওয়া হয়েছিল, তাঁদের ক্ষেত্রেও একইরকম কাটমানি চাওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

আজ থেকে নেপাল T20 লিগ শুরু, জট পাকিস্তানিদের নিয়ে

এমনিতে আজ থেকে নেপাল প্রিমিয়ার লিগ শুরু হচ্ছে। চলবে আগামী ২১ নভেম্বর পর্যন্ত। আটটি টিমে একাধিক পাকিস্তানির খেলার কথাও আছে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইতিমধ্যে কাঠমান্ডুতে পৌঁছে গিয়েছে একাধিক পাকিস্তানি খেলোয়াড়। তারইমধ্যে কাটমানি বা তোলাবাজির বিষয়টি সামনে এসেছে। ফলে লিগে পাকিস্তানি খেলোয়াড়ের অংশগ্রহণ নিয়ে জট তৈরি হয়েছে। সেই জটিলতার জেরে কয়েকজন খেলোয়াড় এখনও পাকিস্তানেই রয়ে গিয়েছেন বলে ওই রিপোর্টে জানানো হয়েছে।

 

মাথাপিছু ২৪,০০০ টাকার মতো ‘তোলা’ চেয়েছে পিসিবি?

ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেপাল প্রিমিয়ার লিগের একাধিক সূত্রের সঙ্গে কথা বলে জানা গিয়েছে যে প্রাথমিকভাবে পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের এনওসি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখন সেটা স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে। কয়েকজন জানিয়েছেন যে প্রত্যেক পাকিস্তান খেলোয়াড়ের এনওসির বিনিময়ে ২৫,০০০ মার্কিন ডলারের (ভারতীয় মুদ্রায় ২৪,০০০ টাকার মতো) আশপাশে ফি চেয়েছে পিসিবি।

‘ট্রফি চোর’ নকভির বোর্ড কিছু বলেনি এখনও

তবে লিখিতভাবে নাকি মৌখিকভাবে সেই দাবি তোলা হয়েছে, সে বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কোনও তথ্য মেলেনি বলে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিষয়টি নিয়ে প্রাথমিকভাবে ‘ট্রফি চোর’ নকভির নেতৃত্বাধীন পিসিবির তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। যে নকভি আবার যিনি আবার পাকিস্তানের মন্ত্রী এবং পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত।

পাকিস্তানি বোর্ডের নয়া চুক্তি ও নাটক

আর পুরো বিষয়টি সামনে এসেছে এমন একটা সময়, যখন নেপালের লিগে সুযোগ পাওয়া কোনও পাকিস্তানি ক্রিকেটারকে (অধিনায়ক সাহিবজাদা ফারহান, হায়দার আলির মতো খেলোয়াড়) জাতীয় দলের হয়ে ম্যাচ খেলতে হবে না ওই টুর্নামেন্টের মধ্যেই। চলতি বছরের গোড়ার দিকে পাক বোর্ডের তরফে চুক্তিবদ্ধ খেলোয়াড়দের একটি বিশেষ তালিকা তৈরি করা হয়েছে। সেই তালিকায় থাকা খেলোয়াড়রা টি-টোয়েন্টি স্পেশালিস্ট। আন্তর্জাতিক ম্যাচের সূচির সঙ্গে সংঘাত না হলে তাঁরা বিশ্বজুড়ে যতখুশি টি-টোয়েন্টি লিগে খেলতে পারবেন বলে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। তারপরও নাটক চলছে পাক বোর্ড।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *