CJP Abhijeet Dipke Latest Update: ‘পিস বন্ড’ স্বাক্ষর করায় অভিজিৎ দীপকের কেরিয়ার শেষ হয়ে গেল বলে দাবি করলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি মার্কন্ডেয় কাটজু। তবে অভিজিৎ একা নন, তাঁর মতে, পিস বন্ডে স্বাক্ষর করে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) অপর তিন শীর্ষ নেতারও (সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা এবং অজিঙ্কা শিন্ডে) কেরিয়ার শেষ হয়ে গেল। তাঁদের কাপুরুষ হিসেবে বিবেচনা করবেন মানুষ। বরং পিস বন্ডে স্বাক্ষর না করে আইসার সভানেত্রী নেহা বোরা তাঁর সম্মান আদায় করে নিয়েছেন বলে দাবি করেছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি কাটজু।
‘তাঁদের গ্রেফতার করে দীর্ঘদিন ধরে জেলে রাখবে’
তাঁর কথায়, ‘অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস, আশুতোষ দাস এবং অজিঙ্কা শিন্ডে- ককরোচ জনতা পার্টির চার শীর্ষ নেতাই পিস বন্ড (শান্তি ভঙ্গ না করার মুচলেকা বা বন্ড) স্বাক্ষর করেছেন। সেটার অর্থ হল যে তাঁরা কোনওরকম বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যোগ দিতে পারবেন না। নাহলে পুলিশ বলবে যে শান্তি ভঙ্গ করে তাঁরা বন্ডের শর্ত লঙ্ঘন করেছেন এবং তাঁদের গ্রেফতার করে দীর্ঘদিন ধরে জেলে রেখে দেবে।’
ব্রিটিশ আমলের রেশ টেনে ককরোচদের নিশানা
সেইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমার মতে, পিস বন্ডে স্বাক্ষর করে এই চারজনের পাবলিক কেরিয়ার শেষ হয়ে গেল। কারণ সাধারণ মানুষের চোখে তাঁরা নিজেদের সমস্ত বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়ে ফেলেছেন। তাঁদের এখন কাপুরুষ হিসেবে বিবেচনা করবেন জনগণ, যাঁরা জেলে যেতে ভয় পান। বরং তাঁদের সহযোগী হিসেবে গণ্য করা হবে। কারণ তাঁদের সেইসব লোকজনদের মতো দেখা হবে, যাঁদের জেলে ঢুকিয়েছিল ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ এবং তাঁরা ক্ষমা চাওয়ার পরে মুক্তি পেয়েছিলেন।’
‘আমি নেহা বোরাকে সম্মান করি’
ওই রেশ ধরে নেহার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি কাটজু। তাঁর কথায়, ‘আমি শুধু নেহা বোরাকে সম্মান করি, যিনি পিস বন্ডে স্বাক্ষর করতে অস্বীকার করেছেন। কারণ তাঁর মতে, শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা তাঁর সাংবিধানিক অধিকার। আমি অভিজিৎ দীপকে এবং সিজেপির অপর তিন নেতাকে গ্যাং অফ ফোর হিসেবে বিবেচনা করি।’

এমনিতে গত ১৬ অক্টোবর দিল্লির কনট প্লেসে ‘লেহরা দো তেরঙা’ কর্মসূচির আগে দীপকে এবং নেহাকে আটক করেছিল দিল্লি পুলিশ। সিজেপি প্রতিষ্ঠাতার বিরুদ্ধে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা রুজু করে আদালত পেশ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে আরও একটি পিস বন্ড স্বাক্ষর করে মুক্তি পান অভিজিৎ। আবার যন্তর মন্তরে ঢুকে পড়ার পরে সৌরভ এবং আশুতোষকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তাঁদেরও পিস বন্ড স্বাক্ষর করতে হয়েছিল। নেহা অবশ্য পিস বন্ডের বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন।