Bangladesh। হাদিকাণ্ডে হিংসার রাতে আক্রান্ত মিডিয়া অফিসে কেন সময়ে পৌঁছয়নি ইউনুসের বাংলাদেশ পুলিশ?

Spread the love

গত ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চের নেতা ওসমান হাদির মৃত্যু ঘিরে ওপার বাংলা তোলপাড় হয়েছে। ঢাকার রাস্তায় দিনেদুপুররে গুলি চালনার ঘটনায় আহত ওসমান হাদি পরে, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। ক্ষোভে ফেটে পড়ে বাংলাদেশ। দিকে দিকে অগ্নিসংযোগ হয়, হাদির মৃত্যুর খবর আসার পর পরই। ব্যাপক হারে অশান্তির ঘটনা শুরু হয়। বহুজন আহত হন। সেই রাতেই বাংলাদেশের ‘প্রথম আলো’, ‘ডেইলি স্টার’র অফিসেও অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, ঘটনার বহু পরে পুলিশ আসে ঘটনাস্থলে। কেন সেই সময় পুলিশের পৌঁছতে দেরি হয়? তার উত্তর এল এবার!

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলি এদিন এক সাংবাদিক সম্মেলন করে ডিসেম্বরে বাংলাদেশের হিংসার সময়ের ঘটনা তুলে ধরেন। তিনি বলেন,ট্রাফিক জ্যামের কারণে ডেইলি স্টার ও দৈনিক প্রথম আলোতে হামলার সময় পুলিশ যেতে পারেনি। উল্লেখ্য, চলতি সপ্তাহেই রয়েছে বাংলাদেশে ভোট। ১২ ফেব্রুয়ারি যে ভোটে বাংলাদেশের পুলিশের ওপর বিস্তর দায়িত্ব রয়েছে, সেই পুলিশ জানিয়েছে, ডিসেম্বরে হিংসার রাতে দুই মিডিয়া অফিস আক্রান্ত হলেও, সঠিক সময়ে তারা পৌঁছতে পারেনি ট্রাফিক জ্যামের কারণে। এই তথ্য তুলে ধরেছে বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম ‘ঢাকা পোস্ট’। সজ্জাত আলি বলেন,’ডেইলি স্টার ও দৈনিক প্রথম আলোতে যে আক্রমণ হল রাত ১১টার সময় ট্রাফিক জ্যামের কারণে আমার অফিসারদের সময় মতো সেখানে পাঠাতে পারেনি। যমুনাতে সরকার প্রধানের বাসভবন ঘেরাও করে ঢোকার চেষ্টা করলে সে অবস্থায় ডিএমপি কমিশনারের বসে থাকার সুযোগ আছে? আমি শুধু নিজেও যাইনি, আইজিপিকে ফোন করেছি, ‘ভাই আমি একা পারতেছি না, ইউ শুড কাম অ্যান্ড হেল্প মি।’ তিনি জানান, আইজিপি যতক্ষণে এসেছেন, ততক্ষণে আন্দোলনকারীদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল বলেও জানান ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার।উল্লেখ্য, বাংলাদেশে ইউনুস আমলে একাধিক হিংসার ঘটনার মধ্যে ভোটের কয়েক মাস আগে থেকে চলা একের পর এক হিংসার ঘটনা ক্রমাগত শিরোনাম কেড়েছে। হাদি হত্যার রাতে দীপু দাসের নির্মম হত্যাকাণ্ড, সহ একাধিক ঘটনায় বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তারই মাঝে এল ঢাকা পুলিশের এই নয়া বার্তা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *