সেই জানুয়ারি মাসে বিক্রি হয়েছিল দেশু ৭-এর ফার্স্ট ডে ফার্স্ট শো-এর গোল্ডেন টিকিট। আর শুক্রে ষষ্ঠীর সকালে দল বেধে দর্শকরা হাজির দেশু ৭ দেখতে। যখন তাঁরা টিকিট কেটেছিলেন তখন না জানতেন ছবির গল্প, না জানতেন নাম। শুধু দেব-শুভশ্রী এই নামদুটোই ছিল কাফি।
জিতের সঙ্গে ছবি নিয়ে কী বললেন দেব?
আর দেব-শুভশ্রী দেশু ৭-এর ফার্স্ট ডে ফার্স্ট শো শেষ করে বেরিয়েই বড় ঘোষণা দেবের। এক ভক্ত দেবের কাছে জানতে চান, শুভশ্রীদির সঙ্গে পরের ছবি কবে আসবে, আর নাম কী হবে। আর তাতে দেবকে বলতে শোনা যায়, ‘আমার নেক্সট কমিটমেন্ট আছে জিৎদাকে। শর্ত একটাই আরও বড় স্কেলে করতে হবে। জিৎদাকে নিয়ে ছবি করতে গেলে এর থেকে ডবল বাজেটে করতে হবে। এমন কিছু যা বাংলা সিনেমার দর্শক গর্ব করে বলতে পারে, বাংলাও পারে। বাংলা পিছিয়ে নেই এখন।’
তাহলে কি ২০২৭ সালের পুজোয় দেব-জিৎ একসঙ্গে?
আপাতত তাই মনে করা যেতেই পারে, সব ঠিকঠাক থাকলে পরের পুজো অর্থাৎ ২০২৭ সালে বাংলা সিনেমার পর্দা কাঁপাতে আসবেন দেব ও জিৎ। এমনিতে যদিও দুই নায়কের ভক্তরা সুযোগ পেলেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একে-অপরের সঙ্গে ভিড়ে যান।
টলিউডের ভাইচারা
এর আগে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ও উত্তমকুমারের জন্ম শতবর্ষে কথা দিয়েছিলেন দেব-জিৎকে নিয়ে সিনেমা আনার। আপাতত টলিপাড়ায় ভাইচারার পরিবেশ। জিৎ-এর ‘কেউ বলে বিপ্লবী কেউ বলে ডাকাত’ নিয়ে যখন তাঁর ভক্তরা ট্রোল করছিল, তখন নিষেধ করেন দেব। এমনকী, মা-বাবাকে নিয়ে কেউ বলে বিপ্লবী কেউ বলে ডাকাত-এর স্পেশাল স্ক্রিনিংয়ে এসেছিলেন। একইভাবে আলাদা আরেকদিনে ছবি দেখতে এসেছিলেন প্রসেনজিৎ। ‘ভাই’-এর প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলেন ছবি দেখার পর।
উল্টোদিকে দেশু ৭-এর ট্রেলার লঞ্চ হয়েছিল খোদ জিতের হাত ধরে। যেই অনুষ্ঠানে প্রসেনমজিৎ চট্টোপাধ্যায়েরও থাকার কথা ছিল। কিন্তু শ্যুটিংয়ের জন্য বাইরে থাকায় আসতে পারেননি। এই নিয়ে খোলা চিঠিও দিয়েছিলেন দেবকে ‘ক্ষমা চেয়ে’।

অপেক্ষায় দেবের বাইক অ্য়াম্বুলেন্স দাদা
এদিকে অপেক্ষায় রয়েছে দেবের বাইক অ্যাম্বুলেন্স দাদা সিনেমার মুক্তি। যা অগস্ট মাসে প্রেক্ষাগৃহে আসার কথা থাকলেও, পরবর্তীতে আচমকাই পিছিয়ে যায়। জলপাইগুড়ি জেলার ধলাবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা করিমুল হকের উপর সিনেমাটি বানিয়েছেন দেব। ছবিতে রয়েছেন রুক্মিণী মৈত্রও। আপাতত খবর, ডিসেম্বরের ছুটিতে এই সিনেমার হলে আসার প্রবল সম্ভাবনা।