India to China on Op Sindoor।অপারেশন সিঁদুর নিয়ে হতবাক করে দেওয়া দাবি পাকিস্তানের বেস্টফ্রেন্ড চিনের

Spread the love

ভারত ও পাকিস্তানে যুদ্ধবিরতিতে মধ্যস্থতা করেছে বলে দাবি করেছে চিন। এই নিয়ে চিনা বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই বলেন, চিন এই বছর যে সকল স্পর্শকাতর ইস্যুতে মধ্যস্থতা করেছে, তার মধ্যে ভারত-পাক সংঘাত অন্যতম। চিনা বিদেশমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে এবার মুখ খুলল ভারত। সোজাসুজি জানিয়ে দেওয়া হল, কোনও তৃতীয়পক্ষের মধ্যস্থতায় অপারেশন সিঁদুর বন্ধ করেনি ভারত।

ভারতের স্পষ্ট বক্তব্য, ১০ মে ভারতের মার খেয়ে নাজেহাল দশা হয় পাকিস্তানের। এরপর ভাতরের ডিজিএমও-র কাছে সংঘর্ষবিরতির আবেদন জানিয়েছিল পাকিস্তান। তাতে সাড়া দিয়ে ভারত সংঘর্ষবিরতিতে সম্মত হয়। এতে তৃতীয় কোনও দেশের হস্তক্ষেপ নেই। এর আগে সম্প্রতি আবার পাক উপপ্রধানমন্ত্রী এবং বিদেশমন্ত্রী ইসহাক দার দাবি করেছিলেন, মার্কিন এবং সৌদি বিদেশমন্ত্রী সংঘর্ষবিরতির জন্য কথা বলেছিলেন। তবে ভারত স্পষ্ট জানায়, বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে ভারত নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছিল অন্য দেশগুলির কাছে। কারও কথায় ভারত যুদ্ধ থামায়নি।

উল্লেখ্য, গত ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা ধর্ম জিজ্ঞেস করে ২৫ জন পর্যটক এবং এক স্থানীয়কে খুন করে। এর জবাবে ভারত ৬ মে গভীর রাতে বাহাওয়ালপুর, মুরিদকে সহ পাকিস্তানের ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করে দেয়। সেই অভিযানে প্রায় ১০০ জন জঙ্গিকে খতম করে ভারত। আর এরপর থেকেই পাকিস্তানের তরফ থেকে শেলিং শুরু হয় ভারতের ওপর। অপারেশন সিঁদুর পরবর্তী সময়ে পাকিস্তানের শেলিংয়ে ভারতের অন্তত ১৬ জন নাগরিকের মৃত্যু ঘটে। এরপর সংঘাত বাড়তে থাকে দুই দেশের। ১০ মে-র ভোররাতে এরপর ভারতীয় বায়ুসেনা হামলা চালিয়ে পাকিস্তানের ১১টি সামরিক ঘাঁটি অকেজো করে দেয়।

এই সময়কালে পাকিস্তানের এফ-১৬ এবং জেএফ-১৭ শ্রেণির যুদ্ধবিমান সহ পাঁচটি জেট ভারত ধ্বংস করেছিল মাঝ আকাশের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের রাডার, কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার, হ্যাঙ্গার এবং রানওয়ে ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ভারতের হামলায়। পাকিস্তানের একটি সি-১৩০ শ্রেণির বিমানও ধ্বংস করা হয়েছিল এই সংঘাতের সময়। এছাড়া ৩০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূর থেকে একটি AEW&C বা একটি SIGINT বিমান ধ্বংস করেছিল ভারতীয় বায়ুসেনা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *