Maldives on Muizzu Govt’s Pakistan Deal: পাকিস্তান ইস্যুতে নিজের দেশের অন্দরেই প্রশ্নের মুখে পড়লেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জু। তিনদিনের পাকিস্তানের সফরে গিয়ে তিনি যে প্রতিরক্ষা, সামুদ্রিক সুরক্ষা সংক্রান্ত মউ স্বাক্ষর করেছেন ইসলামাবাদের সঙ্গে, সেই সংক্রান্ত তথ্য দেশের সংসদীয় কমিটির কাছে দ্রুত পেশ করার দাবি তুললেন মালদ্বীপের বিরোধী দল এমডিপির নেতা তথা রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের প্রাক্তন সভাপতি আবদুল্লা শহিদ। সেইসঙ্গে মুইজ্জুকে কটাক্ষ করে তিনি জানিয়েছেন, ভারত-বিরোধী স্লোগান দিয়ে ক্ষমতায় আসার পরও কোনও জরুরি অবস্থা হলেই নয়াদিল্লিকে ফোন করেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট।
মউ নিয়ে দ্রুত তথ্য পেশ করতে হবে, দাবি মালদ্বীপের বিরোধী নেতার
সংবাদমাধ্যম ইয়নের সাক্ষাৎকারে মালদ্বীপের বিরোধী নেতা তথা প্রাক্তন মন্ত্রী জানিয়েছেন, তিনিও চান যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে মালের সম্পর্ক গড়ে উঠুক। কিন্তু পাকিস্তানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা এবং সামুদ্রিক সুরক্ষা সংক্রান্ত যে মউ স্বাক্ষর করেছেন মুইজ্জু, তা নিয়ে উদ্বিগ্ন তিনি। কোনওরকম সন্দেহ দূর করতে দ্রুত সংশ্লিষ্ট সংসদীয় কমিটির কাছে মউ সংক্রান্ত তথ্য পেশের দাবি তুলেছেন শহিদ।
ক্ষমতায় এসেই পাল্টি মুইজ্জুর, কটাক্ষ মালদ্বীপের বিরোধী নেতার
সেই রেশ ধরে মুইজ্জুকেও কটাক্ষ করেছেন মালদ্বীপের বিরোধী নেতা। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় ভারত-বিরোধী স্লোগান তুলেছিলেন মুইজ্জু। তাতে সফলও হয়েছিলেন। কিন্তু কুর্সিতে বসে বিপদের সময় সেই ভারতের দুয়ারেই এসেছেন। ভারতও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। মুইজ্জুর অতীতকে ভুলে মালদ্বীপের মানুষের দিকে তাকিয়ে একগুচ্ছ পদক্ষেপ করেছে নয়াদিল্লি।
আর সেই প্রসঙ্গ উত্থাপন করে ওই সংবাদমাধ্যমের সাক্ষাৎকারে মালদ্বীপের বিরোধী নেতা বলেছেন, ‘আমি আশা করছি যে মুইজ্জু ও তাঁর দল ২০২৮ সালে আবারও ঘৃণার (ভারত-বিরোধী) রাজনীতি শুরু করবেন না।’ সেইসঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, ‘ইন্ডিয়া আউট’ স্লোগান তুলে ক্ষমতায় এসেছিলেন মুইজ্জু। তারপর তিনি ইউ-টার্ন নেন। মুখে সেটা স্বীকার না করলেও যখনই বিপদে পড়েন, তখন ‘ইন্ডিয়া ফার্স্ট’ (ভারত প্রথম) নীতি মেনে চলেন। বিপদে পড়লে সেই ভারতেরই দ্বারস্থ হন বলে জানান মালদ্বীপের বিরোধী নেতা।

‘ভারতকে হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়’
সেইসঙ্গে তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন যে মালদ্বীপ যেন ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে হালকাভাবে না নেয়। ওই সংবাদমাধ্যমের সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘মালদ্বীপের মানুষের সঙ্গে ভারতের মানুষের যে বোঝাপড়া আছে, সেটাকে হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয় আমাদের।’