নসিপুর প্যাসেঞ্জার হল্ট স্টেশনের অনুমোদন দিল রেল মন্ত্রক। দীর্ঘদিন ধরেই মুর্শিদাবাদ জংশন এবং জিয়াগঞ্জের মধ্যবর্তী নসিপুরে হল্ট স্টেশনের দাবি তুলে আসছিলেন সাধারণ মানুষ এবং নিত্যযাত্রীরা। কারণ নসিপুর ও আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের ট্রেন ধরার জন্য অনেকটা পথ উজিয়ে মুর্শিদাবাদ জংশন স্টেশনে যেতে হয়। সেই ঝক্কি থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য নসিপুরে একটি প্যাসেঞ্জার হল্ট স্টেশন তৈরির দাবি তুলছিলেন তাঁরা। অবশেষে সেই দাবিপূরণ হতে চলেছে। নসিপুর হল্ট স্টেশন তৈরির প্রস্তাবে রেল মন্ত্রকের অনুমোদন পড়ে গিয়েছে।
আগেও নসিপুর হল্ট স্টেশন ছিল
এমনিতে অতীতে নসিপুর রেল স্টেশন ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে উঠে গিয়েছিল সেই স্টেশন। আজিমগঞ্জ-নসিপুর সংযোগকারী নসিপুর ব্রিজ নতুন করে চালু হওয়ার পরে হল্ট স্টেশনেরও অনুমোদন দিল রেলওয়ে বোর্ড। পূর্ব রেলের তরফে বলা হয়েছে, ‘মুর্শিদাবাদ এবং জিয়াগঞ্জ মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত এই হল্ট স্টেশনটি নসিপুর সেতু দিয়ে যাওয়া এক্সপ্রেস ট্রেনগুলোর ক্ষেত্রেও ভবিষ্যতে সহায়ক হবে।’
আর্থিক বিকাশেও সহায়তা করবে, দাবি রেলের
বিষয়টি আরও ব্যাখ্যা করে পূর্ব রেলের তরফে বলা হয়েছে, ‘এখানে স্টেশন হলে স্থানীয় যাত্রীদের উত্তরবঙ্গগামী ট্রেন ধরার জন্য আর দূরবর্তী বড় স্টেশনে ছুটতে হবে না। রেলওয়ে বোর্ড তথা রেল মন্ত্রকের এই অনুমোদন প্রকল্পের কৌশলগত গুরুত্বকেই তুলে ধরে। যার ফলে শুধুমাত্র সাধারণ মানুষেদের সুবিধা হবে না, বরং পশ্চিমবঙ্গের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেরও ভূমিকা পালন করবে।’

হাওড়া ও শিয়ালদার মধ্যে সমন্বয় সাধন হবে, দাবি রেলের
সেইসঙ্গে পূর্ব রেলের তরফে বলা হয়েছে, ‘রেলওয়ে বোর্ডের নয়া সিদ্ধান্তের ফলে হাওড়া এবং শিয়ালদা ডিভিশনের মধ্যে সরাসরি সমন্বয় সাধন হয়ে যাবে। হাওড়ার দিক থেকে আসা যাত্রীরা নসিপুর বা মুর্শিদাবাদ যাওয়ার জন্য দীর্ঘ যাত্রার সম্মুখীন হতে হত। রেল মন্ত্রকের নয়া সিদ্ধান্তের ফলে সেই বাধা দূর হবে। নসিপুরের বাসিন্দারা এখন সরাসরি রেলপথে হাওড়া নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হবেন। অন্যদিকে হাওড়া ডিভিশনের যাত্রীরাও সরাসরি মুর্শিদাবাদের প্রাণকেন্দ্রে পৌঁছাতে পারবেন।’