PM Modi at DY Chandrachud Puja। ‘মোদীকে পুজোয় ডেকে বিচারবিভাগের মর্যাদাহানি চন্দ্রচূড়ের’

Spread the love

PM Modi at DY Chandrachud Puja: ভারতের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়কে আক্রমণ করলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি মার্কন্ডেয় কাটজু। তিনি অভিযোগ করেছেন, নিজের কেরিয়ার তৈরির জন্য যাঁরা উঠেপড়ে লাগেন, তাঁদের মধ্যে আছেন প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়ও। এমনকী সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি হওয়ার পরেও তিনি এমন কাজ করেছেন, যা সেই পদের সঙ্গে মানানসই নয়। আর সেরকম ‘কাজের’ তালিকায় নিজের বাসভবনের গণেশ পুজোয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়টিও তুলে ধরেছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি কাটজু।

২০২৪ সালের গণেশ পুজোয় গিয়েছিলেন মোদী

আসলে ২০২৪ সালে গণেশ পুজোয় সুপ্রিম কোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের বাসভবনে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। প্রার্থনা করেছিলেন বিঘ্নহর্তার কাছে। যা নিয়ে সেইসময় তুমুল বিতর্ক হয়েছিল। আইনজীবী মহল এবং বিরোধী রাজনীতিবিদদের একাংশ তীব্র আপত্তি জানিয়েছিলেন।

সেইসময় তুমুল বিতর্ক হয়েছিল

সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রাক্তন অ্যাডভোকেট জেনারেল ইন্দিরা জয়সিং দাবি করেছিলেন যে প্রশাসন এবং বিচারবিভাগের মধ্যে ক্ষমতার পৃথকীকরণের নীতিকে ক্ষুণ্ণ করেছেন প্রধান বিচারপতি। প্রধান বিচারপতির স্বাধীনতার উপর থেকে সম্পূর্ণ আস্থা উঠে গিয়েছে বলেও দাবি করেছিলেন বর্ষীয়ান আইনজীবী। একইসুরে বর্ষীয়ান আইনজীবী তথা কংগ্রেস নেতা কপিল সিব্বল দাবি করেছিলেন যে এরকম ঘটনায় ভুল বার্তা যায়।

সেই বিতর্কে মুখ খুলেছিলেন প্রধানমন্ত্রীও। সরাসরি কিছু না বললেও দিনকয়েক পরে ভুবনেশ্বরের একটি জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘ব্রিটিশরা গণেশ উৎসবকে ঘৃণা করতেন। তাঁরা ভাগ-বাটোয়ারা নীতির পথে হাঁটতেন। আজও ক্ষমতালোভী লোকজনদেরও গণেশ পুজো নিয়ে সমস্যা হচ্ছে, যাঁরা সমাজকে ভেঙে টুকরো-টুকরো করে ফেলতে চায়।’

সোজাসাপ্টা নিজের মতামত জানিয়েছিলেন চন্দ্রচূড়ও

প্রধানমন্ত্রী সেই মন্তব্য কোন প্রেক্ষিতে করেছেন, তা সরাসরি না বললেও সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সোজাসাপ্টা নিজের মতামত জানিয়েছিলেন। ভারতের প্রধান বিচারপতি হিসেবে অবসর নেওয়ার কয়েক মাস পরে সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে’র মুম্বই কনক্লেভে তিনি দাবি করেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী যে গণেশ পুজোয় তাঁর বাসভবনে গিয়েছিলেন, সেটা নেহাতই ‘সাংবিধানিক পদের প্রাথমিক সৌজন্য’ ছিল।

তিনি দাবি করেছিলেন, পুরো ঘটনায় দু’রকমের সমালোচনা করা হচ্ছিল। একটা শ্রেণির লোকজনের সমস্যা হচ্ছিল, কারণ প্রকাশ্যে জানিয়েছিলেন যে তিনি পুজো করেন। তিনি কোনওরকম লুকোছাপা করেননি যে তিনি একজন হিন্দু। আর নিজের ধর্মের প্রতি ভক্তি আছে। আর দ্বিতীয়ত, সাংবিধানিক পদে থাকা দু’জনের এরকম সাক্ষাৎ একেবারেই নতুন কিছু নয় বলেও জানিয়েছিলেন ভারতের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *