Trump on Operation Sindoor। তিনি না থাকলে বাঁচতেন না ৩৫ মিলিয়ন পাকিস্তানি

Spread the love

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সংঘাত নিয়ে মার্কিন কংগ্রেসে দাঁড়িয়ে বড় দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আজ তিনি বলেন, তিনি যদি হস্তক্ষেপ না করতেন তাহলে পাকিস্তানের ৩৫ মিলিয়ন মানুষ মারা যেত। অপারেশন সিঁদুরের কথা উল্লেখ করে তিনি ট্রাম্প এই কথা বলেছেন। একইসঙ্গে স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন ভাষণে ফের একবার ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের কৃতিত্ব দাবি করেছেন ট্রাম্প।

ট্রাম্প বলেছেন, ভারতের অপারেশন সিঁদুর বন্ধ করতে হস্তক্ষেপ করে তিনি পাকিস্তানের কয়েক কোটি মানুষকে বাঁচিয়েছিলেন। তিনি দাবি করেছেন যে শেহবাজ তাঁকে বলেছিলেন যে ট্রাম্প যদি অপারেশন সিঁদুরের সময় হস্তক্ষেপ না করতেন তবে ৩৫ মিলিয়ন পাকিস্তানি মারা যেত।

এর আগে ফেব্রুয়ারিতে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে এই সংঘাতে নাকি ১০টি বিমান ধ্বংস হয়েছিল। এর আগে ২০২৫ সালের জুলাইতে ট্রাম্প বলেছিলেন ভারত-পাক সংঘাতে ৫টা যুদ্ধবিমান ভেঙেছে, এরপর অগস্টে সেটা ৭ হল। আর নভেম্বর আসতে আসতে ট্রাম্প দাবি করেন, অপারেশন সিঁদুরের সময় নাকি ৮টা বিমান ধ্বংস হয়েছিল। উল্লেখ্য, সংঘর্ষবিরতির কৃতিত্ব দাবি করা ছাড়াও ট্রাম্প বারবার বোঝাতে চাইছেন যে যুদ্ধ কতটা ভয়াবহ ছিল এবং আরও কতটা ভয়াবহ তা হতে পারত। তাঁর বরাবরের দাবি, এই সংঘাত পারাণিবিক যুদ্ধে পরিণত হতে পারত। এরই সঙ্গে একেক সময় একেক সংখ্যায় বিমান ধ্বংস হওয়ার দাবি শোনাচ্ছেন তিনি।

এর আগে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, তিনি নাকি শুল্ককে হাতিয়ার করে ভারত ও পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, শন্তি স্থাপন না করলে তিনি বাণিজ্য চুক্তি করবেন না। এর আগে এই শুল্ক আরোপ নিয়েও একেক রকম দাবি শোনা গিয়েছিল ট্রাম্পের গলায়। তাঁর সর্বশেষ দাবি অনুযায়ী, ট্রাম্প নাকি ভারত ও পাকিস্তানের ওপর ২৫০ শতাংশ শুল্ক চাপানোর হুমকি দিয়েছিলেন অপারেশন সিঁদুরের সময়। ভারত অবশ্য এই সব দাবি শুরু থেকেই অস্বীকার করে এসেছে। দিল্লি স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দেয়, অপারেশন সিঁদুরের সময় প্রধানমন্ত্রী মোদী এবং ট্রাম্পের মধ্যে ফোনে কোনও কথাই হয়নি। যদিও ট্রাম্প বলেন, তিনি নাকি সরাসরি মোদীর সঙ্গে কথা বলেছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা ধর্ম জিজ্ঞেস করে ২৫ জন পর্যটক এবং এক স্থানীয়কে খুন করে। এর জবাবে ভারত ৬ মে গভীর রাতে বাহাওয়ালপুর, মুরিদকে সহ পাকিস্তানের ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করে দেয়। সেই অভিযানে প্রায় ১০০ জন জঙ্গিকে খতম করে ভারত। আর এরপর থেকেই পাকিস্তানের তরফ থেকে শেলিং শুরু হয় ভারতের ওপর। অপারেশন সিঁদুর পরবর্তী সময়ে পাকিস্তানের শেলিংয়ে ভারতের অন্তত ১৬ জন নাগরিকের মৃত্যু ঘটে। এরপর সংঘাত বাড়তে থাকে দুই দেশের। ১০ মে-র ভোররাতে এরপর ভারতীয় বায়ুসেনা হামলা চালিয়ে পাকিস্তানের ১১টি সামরিক ঘাঁটি অকেজো করে দেয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *