Yusuf Pathan Plot Gift: ইউসুফ পাঠানকে বিতর্কিত ৯৭৮ বর্গমিটার জমি দেওয়ার প্রস্তাবে অনুমোদন দিল গুজরাট সরকার। রিপোর্ট অনুযায়ী, আবাসিক কাজে ব্যবহারের জন্য ‘প্রাক্তন’ ভারতীয় ক্রিকেটার তথা প্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেস নেতাকে বিজেপি-পরিচালিত ভদোদরা পুরনিগম কর্তৃপক্ষের ৫০০ বর্গমিটার জমি ‘উপহার’ দেওয়া হয়েছে। আর বাকি ৪৭৮ বর্গমিটার জমি দেওয়া হয়েছে ৫৫ শতাংশ দামে। যে জমিতে জবরদখলের অভিযোগে বছরদুয়েক আগে তৎকালীন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদকে নোটিশ ধরা হয়েছিল।
২০২৪ সালের জুনে নোটিশ, তারপর কী হল?
সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তৃণমূলের টিকিটে বহরমপুর লোকসভা আসন থেকে জয়ের কয়েকদিন পরই ২০২৪ সালের জুনে ইউসুফকে নোটিশ ধরিয়েছিল ভদোদরা পুরনিগম কর্তৃপক্ষ। আবার দু’বছর পরে সেরকমই একটা জুনে (পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়ের পরই মাসখানেকের মধ্যেই) তৃণমূল ছেড়ে আরও ১৯ জন সাংসদের সঙ্গে যোগ দেন ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অফ ইন্ডিয়ায় (এনসিপিআই)।
ইউসুফ TMC ছাড়ার ২ মাসের মাথায় অনুমোদন
ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই জমি নিয়ে ভদোদরা পুরনিগম কর্তৃপক্ষ যে প্রস্তাব তৈরি করেছে, সেটা রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তের উপর ভিত্তি করে। ১৩ অগস্ট নেওয়া রাজ্যের সেই সিদ্ধান্তের বিষয়টি ২৯ অগস্ট পৌঁছায় পুরনিগম কর্তৃপক্ষের কাছে। তার দু’দিন আগেই গুজরাট হাইকোর্ট থেকে নিজের আবেদন প্রত্যাহার করে নেন। রাজ্যের প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে অনুরূপ ঘটনার ক্ষেত্রে কোনও নজির তৈরি করবে না ইউসুফের জমি বরাদ্দের বিষয়টি।

জমি-কাণ্ডের সূত্রপাত ২০১২ সাল থেকে
এমনিতে সেই জমি-কাণ্ড শুরু হয়েছিল ২০১২ সাল থেকে। রিপোর্ট অনুযায়ী, ৯৯ বছরের লিজে পারিবারিক বাড়ির কাছে জমি চেয়ে আবেদন করেছিলেন ইউসুফ। কোনওরকম নিলাম ছাড়াই যাতে সেই জমি দেওয়া হয়, সেই আর্জি জানিয়েছিলেন। সেইসময় ইউসুফের প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছিল পুরনিগমের স্ট্যান্ডিং কমিটি এবং জেনারেল বোর্ড। আর সেটি পাঠিয়েছিল রাজ্যের কাছে। ২০১৪ সালের জুনে সেই প্রস্তাব খারিজ করে দিয়েছিল গুজরাটের পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর। পরবর্তীতে পুরনিগম কর্তৃপক্ষের তরফে অভিযোগ করা হয়, ওই জমি জবরদখল করে নিয়েছেন ইউসুফ।