মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের বাসভবন হোয়াইট হাউসের কাছে অবস্থানরত ন্যাশনাল গার্ডের দুই সদস্য গুলিবিদ্ধ হলেন। বুধবার হোয়াইট হাউস থেকে মাত্র কিছুটা দূরে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় দুই সেনা সদস্য মারাত্মকভাবে আহত হন। এক আধিকারিকের দাবি, সন্দেহভাজনদের মধ্যে একজনও গুলিবিদ্ধ হয়েছিল এবং বর্তমানে তাঁকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পশ্চিম ভার্জিনিয়ার গভর্নর প্যাট্রিক মরিসি এক বিবৃতিতে বলেছেন যে তদন্ত চলছে। একইসঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্প এসব বন্দুকধারীদের ‘পশু’ বলে অভিহিত করেছেন। যারা গুলি চালানোর ঘটনায় যুক্ত আছে, তাদের কঠোর মূল্য চোকাতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, হোয়াইট হাউসের কাছেই গুলি চালানোর ঘটনাটি ঘটেছিল। তবে গোলাগুলির সময় ট্রাম্প ওয়াশিংটনে উপস্থিত ছিলেন না। এ সময় ট্রাম্প ফ্লোরিডার রিসোর্ট মার-এ-লাগোতে ছিলেন। একাধিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ঘটনাস্থলের কাছাকাছি বেশ কয়েকটি বিকট শব্দ শোনা যায়, যার পরে হোয়াইট হাউসের ফারাগুট স্কোয়ারের কাছে একটি ব্যস্ত উপকণ্ঠ থেকে লোকজনকে দৌড়াতে দেখা যায়।
স্থানীয় আধিকারিক জানিয়েছেন, গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনজন আহত হয়েছেন এবং তিনজনকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে, সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, ওয়াশিংটনে বন্দুকধারীর গুলিতে আহত ন্যাশনাল গার্ডের দুই সেনা গুরুতর আহত হয়েছেন। ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যে ‘পশু’ এই কাজ করেছে, তাকে অনেক বড় মূল্য দিতে হবে।

ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যে পশু দুই ন্যাশনাল গার্ডসম্যানকে গুলি করেছে, সে গুরুতর জখম হলেও তাকে কঠোর মূল্য চোকাতে হবে। দুই ন্যাশনাল গার্ডসম্যান গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁরা এখন দুটি পৃথক হাসপাতালে আছেন। ঈশ্বর আমাদের মহান ন্যাশনাল গার্ড এবং আমাদের সমস্ত সামরিক ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মঙ্গল করুন। ওঁরা সত্যিই মহান মানুষ।’ তারইমধ্যে মার্কিন প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে যে ওয়াশিংটনে বাড়তি ৫০০ জন ন্যাশনাল গার্ড সদস্যকে মোতায়েন করার নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাম্প।