কেমন আছেন সৃজিতের পোষা সাপেরা?

Spread the love

সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের পোষ্যদের কথা যখন সামনে এসেছিল, তখন বেশ হকচকিয়ে গিয়েছিল তাঁর ভক্তরা। এমনকী, একই হাল ছিল টলিউডেরও। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সৃজিত সুদূর কলম্বিয়া থেকে একটি বল পাইথন বাড়ি নিয়ে আসেন। হিন্দু পুরাণ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি এই সাপটির নাম রাখেন ‘উলুপী’। পরবর্তীতে উলুপী ছাড়াও তাঁর সংগ্রহে অনন্ত নাগ, হাইড্রা, মেডুসা ও কালনাগিনীর মতো একাধিক বল পাইথন যুক্ত হয় এবং তাঁর বাড়িতে সাপের সংখ্যাও বাড়ে। বর্তমানে তা পৌঁছেছে পাঁচে।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের পোষ্যদের নিয়ে কথা বললেন সৃজিত। সাংবাদিক স্রবন্তীর সঙ্গে কথা প্রসঙ্গে বলেন, ‘সবাই আছে, খুব সুখে আছে, আরামে আছে। সামনে শীতকাল আসছে, ওরা একটু শীতঘুমের দিকে যাবে। একটু ঝিমিয়ে পড়বে’।

সাপগুলো রাখা থাকে অ্যাকোয়ারিয়ামে। আর খায় ইঁদুর। সৃজিত জানান, কলকাতায় বর্তমানে একটা রেপ্টাইল কমিউনিটি আছে। যেখানকার সদস্যরা ইগুয়ানা, নানারকম টিকটিকি, সাপের মতো এক্সটিক পেট পোষে। আর এই এক্সটিক পোষ্যদের খাবার সরবরাহ করার জন্য, পেট ফুডের ফার্মও খুলে গিয়েছে। প্রসঙ্গত, সৃজিত বন দফতর থেকে যাবতীয় প্রযোজনীয় অনুমতি নিয়েই বাড়িতে রাখছেন।

তবে সৃজিতের এই সাপ পোষার সখে বেশ ভয়েই থাকেন তাঁর পত্নী মিথিলা। বছরখানেক আগে এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, তিনি শুরুতে শুধু একটি সাপের (উলুপি) কথাই জানতেন। কিন্তু পরে বাড়ি ফিরে দেখেন সেখানে একাধিক বল পাইথন আনা হয়েছে। তিনি কখনোই সাপ-ভক্ত নন এবং এই অদ্ভুত পরিবেশের কারণে তাঁর আতঙ্ক বা অস্বস্তিও হয়। তবে সৃজিতকে বাধা দেননি।

পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি হল ‘এম্পারর ভার্সেস শরৎচন্দ্র’। যা ২০২৬ সালের দুর্গাপূজোয় প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে। সিনেমাটি মূলত কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বাস্তব জীবন এবং ১৯২৬ সালে প্রকাশিত তাঁর ব্রিটিশবিরোধী কালজয়ী রাজনৈতিক উপন্যাস ‘পথের দাবী’-র শতবর্ষ পূর্তিকে কেন্দ্র করে তৈরি করা হয়েছে। ছবিটিতে অভিনেতাদের পারফরম্যান্স (বিশেষ করে টোটা রায়চৌধুরীর অভিনয়) এবং পিরিয়ড ড্রামার খুঁটিনাটি দারুণভাবে প্রশংসিত হয়েছে। তবে সেভাবে ব্যবসা করতে পারেনি। যদিও ঔপনিবেশিক ভারতের দৃশ্য পুনর্নির্মাণে জেনারেটিভ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স-এর ‘অতিরিক্ত’ ব্যবহার পছন্দ হয়নি কারও কারও।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *