মোদীকে ‘সীতা রাম’ ভজন শোনালেন হনুমান অংশ পরিচালক

Spread the love

শুক্রবার এক ভজন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কনসার্টের আদলে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী-সহ উপস্থিত সকলকে ভক্তিতে মগ্ন হতে দেখা যায়। সংঘ পরিবারের ১১০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ‘হনুমান অংশ’ ছবির পরিচালক বিশাল চতুর্বেদীও। সেখানে নিজের ছবির ‘সীতা রাম’ গানটি গেয়ে দর্শকদের মন জয় করেন তিনি। তাঁর গান শুনে মুগ্ধ হয়ে শুনতে দেখা যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেও।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সামনে ভজন গাইলেন ‘হনুমান অংশ’-এর পরিচালক

বিশাল চতুর্বেদী তাঁর ‘হনুমান অংশ’ ছবির জন্য প্রচুর প্রশংসা কুড়াচ্ছেন। প্রায় দুই মাস পরেও এই ছবিটি বক্স অফিসে দুর্দান্ত ব্যবসা করে চলেছে। এরই মধ্যে পরিচালক বিশাল চতুর্বেদীকে বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানে দেখা গিয়েছে। তিনি যখন সংঘ পরিবারের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী মোদীর সামনে পৌঁছান, তখন করতালি দিয়ে তাঁকে স্বাগত জানানো হয়। তিনি ‘সীতা রাম’ ভজন দিয়ে তাঁর গান শুরু করেন। প্রধানমন্ত্রী মোদীকে মনোযোগ দিয়ে এই ভজন শুনতে দেখা যায়। এমনকী তাঁকে তালি বাজাতে এবং ডফলি জাতীয় একটি বাদ্যযন্ত্র বাজাতেও দেখা গিয়েছে।

৩০০ কোটির কাছাকাছি ‘হনুমান অংশ’-এর আয়!

‘হনুমান অংশ’ ছবিটি মাত্র ২ কোটি টাকার বাজেটে তৈরি করেছিলেন বিশাল চতুর্বেদী। ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছেন চন্দন আনন্দ ও শোভিনব সত্য। ৭ অগস্ট প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছিল ছবিটি।

মুক্তির প্রথম দুই সপ্তাহে বক্স অফিসে বিশেষ সাফল্য পায়নি ‘হনুমান অংশ’। এমনকী, বেশ কয়েকটি ছোট শহর ও প্রেক্ষাগৃহ থেকেও ছবিটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তৃতীয় সপ্তাহের পর থেকেই বদলে যেতে থাকে ছবির ভাগ্য। বক্স অফিসে একের পর এক রেকর্ড গড়তে শুরু করে এই সিনেমা।

মাত্র ২ কোটি টাকার বাজেটে তৈরি ছবিটি প্রায় ৩০০ কোটি টাকার নেট কালেকশনের দিকে এগিয়ে গিয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। নির্মাতাদের এই স্বল্প বাজেটের ছবির বক্স অফিস সাফল্য এখন চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে।

নিম করোলি বাবার জীবন দর্শকদের প্রভাবিত করেছে

নিম করোলি বাবার জীবনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি এই ছবিটি বানাতে দেড় বছর সময় লেগেছিল এবং প্রযোজকের সমস্ত টাকা খরচ হয়ে গিয়েছিল। ছোট ও নতুন শিল্পীদের নিয়ে তৈরি এই ছবিটিকে ওটিটি (OTT) প্ল্যাটফর্মগুলো কিনতে অস্বীকার করেছিল। ছবিটি প্রচার করার মতো কোনো টাকা ছিল না। এমন পরিস্থিতিতে নির্মাতারা হনুমানজির নামে ৮টি বড় ভান্ডারা (মহাপ্রসাদ বিতরণ)-র আয়োজন করেন। এর সঙ্গীত সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজস্ব পরিচয় তৈরি করে। গল্পের প্রভাব এতটা গভীর ছিল যে প্রায় দুই মাস পরেও ছবিটি প্রেক্ষাগৃহে চলছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *