অরুণাচল সীমান্তে ভারত-চিন সেনার মধ্যে সংঘাতের আবহ কি এখনও চলছে? এদিন এই জল্পনা উস্কে দিয়েছেন ইন্দো-টিবেটান বর্ডার পুলিশের প্রধান শত্রুজিৎ সিং কাপুর। এরপরই বেলা গড়াতে না গড়াতেই এই বিষয়ে মুখ খুলল বিদেশমন্ত্রক। দিল্লির তরফে সীমান্ত ইস্যুতে অবস্থান স্পষ্ট করা হয়েছে। এছাড়াও বিষয়টি নিয়ে বিশদে জানতে প্রতিরক্ষামন্ত্রকের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।
প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলএসি) বরাবর অমীমাংসিত বিষয়গুলোর সমাধান এবং ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে ভারত ও চিন বিদ্যমান কূটনৈতিক ও সামরিক ব্যবস্থা ব্যবহার করে চলেছে বলে শুক্রবার জানিয়েছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। এর আগে, এদিন আইটিবিপি প্রধান শত্রুজিৎ সিং কাপুরের এক মন্তব্যের পর থেকেই অরুণাচল সীমান্তে কী ঘটছে, তা নিয়ে ওঠে প্রশ্ন। এই প্রসঙ্গে সাংবাদিকের প্রশ্নে উত্তর দিতে গিয়ে রণধীর জয়সোয়াল বলেন, ‘চিনের বাহিনী প্রতিষ্ঠিত টহলদারির ধরন পাল্টে দেয় যখন, তখনই ভারত-চিন সীমান্ত এলাকার পরিস্থিতি সময়ে সময়ে বিঘ্নিত হয়।’ এদিন তাঁর বক্তব্যে রণধীর জয়সোয়াল বলেন, ‘উন্নত সীমান্ত ব্যবস্থাপনার জন্য উভয় পক্ষ উপযুক্ত এলাকাগুলোতে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলএসি) সম্পর্কে তাদের বোঝাপড়া উন্নত করার উপায় নিয়ে আলোচনা করতেও সম্মত হয়েছে। আমি আরও জোর দিয়ে বলতে চাই যে, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সার্বিক উন্নয়নের জন্য সীমান্ত এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা অপরিহার্য।’
এর আগে, আইটিবিপির চিফ শত্রুজিৎ সিং কাপুর বলেন, চিনের মোকাবিলা করতে নতুন একটি ‘কমব্যাট ইউনিট’ তৈরি করা হয়েছে, যার নাম ‘শৌর্য কম্যান্ডোজ়’। অরুণাচলের একাধিক জায়গায় চিনের পিপলস লিবারেশন আর্মির সঙ্গে যে মুখোমুখি বিবাদ চলছে, তাতে নিজেদের দক্ষতা প্রমাণ করেছেন শৌর্য কম্যান্ডোরা। তাঁর এই বক্তব্যেরক পরই উদ্বেগ তৈরি হয়। এই বিষয়ে সন্ধ্যায় বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়ালকে প্রশ্ন করা হলে, তিনি বলেন, ‘যদি এই বিষয়ে বিশদে জানতে চান, তাহলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের কাছে জিজ্ঞাসা করার কথা বলব।’
