Gaighata Rape Accused Encounter। ২ দিনেই এনকাউন্টার গাইঘাটা ধর্ষণ কাণ্ডে! লক্ষ্মীপুজোয় ছাত্রীর অর্ধনগ্ন দেহ

Spread the love

Gaighata Rape Accused Encounter: বারুইপুরের পরে গাইঘাটা – এনকাউন্টারে মৃত্যু হল গাইঘাটা ধর্ষণ ও খুন কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত প্রহ্লাদ দাসের। পুলিশের তরফে দাবি করা হয়েছে, ঘটনার পুনর্নির্মাণ করার জন্য ভোররাতে নিয়ে অকুস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল অভিযুক্তকে। সেইসময় পুলিশের বন্দুক ছিনিয়ে নেয় প্রহ্লাদ। সাব-ইনস্পেক্টরকে লক্ষ্য করে চালায় তিন রাউন্ডের মতো গুলিও। আত্মরক্ষার্থে পুলিশের তরফে পালটা গুলি চালানো হয়। সেইসময় গুলি লাগে অভিযুক্তের। পরবর্তীতে বনগাঁ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে প্রহ্লাদকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।

লক্ষ্মীপুজোর ভোরে উদ্ধার করা হয় কিশোরীর রক্তাক্ত দেহ

আর সেই এনকাউন্টারের ঘটনা ঘটেছে একাদশ শ্রেণির ছাত্রীর দেহ উদ্ধার হওয়ার দু’দিনের মাথায়। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর ভোরে উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটার বাড়ির লাগোয়া খালপাড় থেকে একাদশ শ্রেণির ছাত্রীর অর্ধনগ্ন দেহ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করেন, প্রাথমিকভাবে যখন কিশোরীর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করা হয়, তখন তার মুখে একাধিক আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়। ছেঁড়া ছিল পোশাকও।

 

বিজয়ার অনুষ্ঠানে গিয়ে আর ফেরেনি কিশোরী

পরিবারের তরফে দাবি করা হয়, ছোটোবেলা থেকেই মামার বাড়িতে থাকত ১৭ বছরের কিশোরী। শনিবার রাতে বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠানে গিয়েছিল। সঙ্গে ছিল এক বান্ধবীও। কিন্তু রাত হয়ে গেলেও বাড়ি ফেরেনি কিশোরী। পরবর্তীতে রবিবার ভোরে দেহ উদ্ধার করা হয়।

একবার ফোন বেজে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, দাবি বান্ধবীর

যে বান্ধবীর সঙ্গে কিশোরী গিয়েছিল, সে দাবি করে যে অনেকক্ষণ একসঙ্গে ছিল তারা। কিন্তু রাত ১২ টা নাগাদ একটি ফোন পেয়ে বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠানের জায়গা থেকে চলে যায় কিশোরী। কিছুক্ষণের মধ্যে আসবে বলে গেলেও দীর্ঘক্ষণ আসেনি। সেই পরিস্থিতিতে তাকে ফোন বন্ধ করে বান্ধবী। প্রথমবার ফোন বেজে-বেজে কেটে যায়। তারপর থেকে বন্ধ হয়ে যায় ফোন। আর ফোনে পাওয়া যায়নি বলে দাবি করে বান্ধবী।

রবিবার ভোরে সেই কিশোরীর দেহ উদ্ধারের পরে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হয় পুলিশের তরফে। সেদিনই গ্রেফতার করা হয় প্রহ্লাদকে। কিশোরীর দূর সম্পর্কের ওই আত্মীয় মাঝেমধ্যে তাঁদের বাড়িতে আসত বলে জানান মৃতের দিদিমা। তিনি জানান, কিশোরীর সঙ্গে ফোনে কথাবার্তা হত প্রহ্লাদের। কোনও কাজকর্মেরও ঠিক ছিল না ওই যুবকের। আর মঙ্গলবার ভোররাতে পুলিশি এনকাউন্টারে মৃত্যু হল তার। ঠিক একই কায়দায় গত জুলাইয়ে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে পুলিশের এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছিল গণধর্ষণ ও খুনে অভিযুক্তের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *