OMG। টাইগারের আগে ইমরানের উপর আক্রমণের ছক

Spread the love

টাইগার শ্রফের উপর গুলি চালানোর ঘটনায় প্রতিদিনই নতুন এবং চমকপ্রদ তথ্য প্রকাশিত হচ্ছে। এর আগে জানা গিয়েছিল যে টাইগার শ্রফের আগে আমির খান শুটারদের টার্গেট ছিলেন এবং এখন নতুন আপডেট হ’ল হামলাকারীদের ইমরান হাশমির বাড়িতে রেইকি করতে বলা হয়েছিল, কিন্তু তারা ইমরানের বাড়ি খুঁজে না পাওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। তদন্তকারীরা বলছেন যে টাইগারকে আক্রমণ করার আগে শুটাররা সলমন খান এবং আমির খানের বাড়িতেও রেকি করেছিল। পুলিশ কর্মকর্তা হিন্দুস্তান টাইমসকে বলেন, ‘সলমন বরাবরই লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের টার্গেট ছিলেন। এবার আমির খানের বাড়িতেও একটি রেইকি করতে বলা হয়েছিল। তবে আমির যে দক্ষিণ মুম্বইয়ে চলে গিয়েছেন, তা শ্যুটাররা জানত না। এবং এই কারণে তাঁরা তাকে খুঁজে পাননি।’

এক পুলিশ আধিকারিকের দাবি, অভিযুক্তদের ইমরান হাশমির বাড়িতেও নজরদারি চালাতে বলা হয়েছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে খোঁজখবর নিয়েও অভিনেতার বাড়ি খুঁজে পায়নি তারা। এরপর টাইগারকে নিশানা বানায় অভিযুক্তরা। পুলিশ আধিকারিকের দাবি, সোশাল মিডিয়ায় অভিনেতার একটি রিল দেখে তারা জানতে পেরেছিল, প্রতি রবিবার জুহুতে ফুটবল খেলতে যান টাইগার। সেই সূত্রেই তাঁকে লক্ষ্য করে হামলার পরিকল্পনা করা হয় বলে তদন্তকারীদের দাবি।

এই ঘটনায় হরিয়ানার সোনিপত থেকে ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের নাম রাধা বর্মা, ববীত রাও, কুণাল জমিন সিংহ এবং সুমিত সরোলিয়া। সোমবার তাঁদের এসপ্ল্যানেড আদালতে পেশ করা হলে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়।

পুলিশ আদালতে দাবি করেছে, এই ৪ জন শ্যুটারদের অস্ত্র সরবরাহ করেছিলেন। তদন্তকারীদের বক্তব্য, অভিযুক্ত কুণাল জামেরসিংহ যোগাযোগ রেখেছিলেন অনিল পণ্ডিতের সঙ্গে। নিজেকে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সদস্য বলে দাবি করে অনিলই হামলার দায় নিয়েছিলেন।

পুলিশের দাবি, কুণাল একটি পিস্তল দিয়েছিলেন রাধা বর্মাকে। এর পর রাধা ও ববীত শ্যুটার রেহান আনসারির সঙ্গে দেখা করে ১৭ অক্টোবর তাঁর হাতে সেই পিস্তল তুলে দেন। টাইগারকে গুলি করার পর অস্ত্রটি ফেরত দেওয়ার নির্দেশও শ্যুটারদের দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ।

এই হামলায় অল্পের জন্য রক্ষা পান টাইগার। তবে গুলিবিদ্ধ হন তাঁর চালক এবং এক ভ্লগার। পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *