Driving Licence Chnages Proposal। পাশ নম্বর বেড়ে ৭৫%! জুড়ছে রং- ড্রাইভিং লাইসেন্সে একগুচ্ছ পরিবর্তনের সুপারিশ

Spread the love

Driving Licence Chnages Proposal: ড্রাইভিং লাইসেন্সে একগুচ্ছ পরিবর্তনের সুপারিশ করল কেন্দ্রীয় সরকার। যে তালিকায় বিভিন্ন রঙের ড্রাইভিং লাইসেন্স, নাগরিকত্বের উল্লেখ থেকে বয়স ও ঠিকানার প্রমাণ হিসেবে হলফনামায় উঠিয়ে দেওয়ার মতো বিষয় আছে। সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়ার রিপোর্ট অনুযায়ী, বয়স এবং ঠিকানার প্রমাণ হিসেবে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট বা নোটারির কাছে যে হলফনামা দিতে হয়, সেটা তুলে দেওয়া হতে পারে। তাছাড়া ভারতীয় এবং বিদেশিদের জন্য আলাদা রঙের ড্রাইভিং লাইসেন্সেরও সুপারিশ করা হয়েছে।

কী কী পরিবর্তনের সুপারিশ করা হয়েছে?

১) খসড়া অনুযায়ী, অনলাইন সেলফ-ড্রাইভিং টিউটোরিয়াল পরীক্ষায় বর্তমানে ৬০ শতাংশ নম্বর পেলে ‘পাশ’ বলে ধরা হয়। সেটা বাড়িয়ে ৭৫ শতাংশ করার সুপারিশ করা হয়েছে।

২) ড্রাইভিং লাইসেন্সে চালকের ব্লাড গ্রুপ, মোবাইল নম্বর এবং এমার্জেন্সি নম্বর উল্লেখ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

৩) মোটর ভেহিকেলস রুলসের আওতায় কয়েকটি পরিষেবার চার্জ তুলে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে খসড়ায়। ওই প্রস্তাব অনুযায়ী, অনলাইন আধার অথেন্টিকেশনের মাধ্যমে ঠিকানা, নাম এবং ফোন নম্বর পরিবর্তন করলে কোনও টাকা লাগবে না।

৪) নয়া প্রস্তাব অনুযায়ী, ড্রাইভিং লাইসেন্সে আলাদা-আলাদা রং থাকবে। আলাদা রঙের ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকবে ভারতীয়দের জন্য। আর বিদেশিরা যে ড্রাইভিং লাইসেন্স পাবেন, সেটির রং আলাদা হবে। সেইসঙ্গে ড্রাইভিং লাইসেন্সে নাগরিকত্বের উল্লেখ করা থাকবে।

৫) সেফ ড্রাইভিংয়ের ন্যূনতম ৩০ মিনিটের ভিডিয়ো টিউটোরিয়ালের সুপারিশ করা হয়েছে খসড়া নিয়মের আওতায়।

৬) প্রমাণপত্র হিসেবে লাইফ ইনসিওরেন্স গ্রহণ না করার সুপারিশ দেওয়া হয়েছে খসড়া নিয়মের আওতায়।

আরও ১টি বড় পরিবর্তনের সুপারিশ

তারইমধ্যে আরও একটি বড় পরিবর্তনের পক্ষে সওয়াল করা হয়েছে। বয়স এবং ঠিকানার প্রমাণপত্র হিসেবে বর্তমানে কোনও আবেদনকারী যদি ১২টি নথিভুক্ত নথি পেশ করতে না পারেন, তাহলে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা নোটারির কাছে তাঁর দেওয়া হলফনামা গ্রহণ করতে পারবে ড্রাইভিং লাইসেন্স কর্তৃপক্ষ। কিন্তু সেই বিষয়টি তুলে দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে খসড়া নিয়মে।

বয়স ও ঠিকানার প্রমাণ হিসেবে কী কী নথি লাগবে?

১) ঠিকানার প্রমাণ: খসড়া নিয়ম অনুযায়ী, আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, ই-রেশন কার্ড, পূর্ববর্তী তিন মাসের বিদ্যুৎ বা গ্যাসের বিলের মতো নথি গৃহীত হবে।

২) বয়সের প্রমাণ: খসড়া নিয়মে পাসপোর্ট, বোর্ড পরীক্ষার পাসপোর্ট, বার্থ সার্টিফিকেট, সরকারের জারি করা পরিচয়পত্র, আধার কার্ড, ই-রেশন কার্ড এবং প্যান কার্ড গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *