বাঙালি হিসেবে প্রথমবার ইন্ডিয়ান আইডল জিতেছিলেন মানসী ঘোষ। শুধু তাই নয়, জাতীয় মঞ্চে নিজের গায়িকি দিয়ে একপ্রকার ঝড় তোলেন তিনি। এমনকী, ট্রফি জেতার একদিন পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় জনপ্রিয়তা একচুলও কমেনি। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় শরীরচর্চার ছবি দিলেন মানসী।পরে আছেন কালো টি-শার্ট আর জিম ট্রাউজার। কালো মোটা ফ্রেমের চশমা। সঙ্গে সেই ট্রেডমার্ক করা এক গাল হাসি। মানসীর পোস্ট দেখে তাঁর অনুরাগীরা বলছেন, ‘দাবাং লুক’! অবশ্য এই দাবাং মেজাজের কারণেই কিন্তু ইন্ডিয়ান আইডলে পরিচিত ছিলেন তিনি। মুখে যেন কিছুই আটকাত না! এমনকী, তাঁর প্রশ্নের তোড়ে খাবি খেত হতে হত বিচারকদেরকেও।
মানসীর পোস্টে একজন লিখেছেন, ‘এক যুগ পর জিমে গেলে ছবি তুলতেই হয়’। আরেকজন লিখেছেন, ‘সুপার ফিট’। আরেকজন আবার পপ তারকা শাকিরার সঙ্গে তুলনা করে লিখলেন, ‘তুমি ভারতের শাকিরা’!
ইন্ডিয়ান আইডলে থাকাকালীনই একাধিক কাজের সুযোগ আসে তাঁর কাছে। এরই মধ্যে দেশের বহু শহরে মানসী করে ফেলেছেন তাঁর ‘ম্যাজিক উইথ মানসী’ ট্যুর। এমনকী বিদেশেও শো করেছেন।বেলঘড়িয়া নিমতার বাসিন্দা মানসী ঘোষ। ছোটবেলা থেকেই গান শেখা, তখন মায়ের ইচ্ছেতে হলেও, পরবর্তীতে এটাকেই ভালোবেসে ফেলেন। মাত্র চার বছর বয়সে যে সফর শুরু হয়, তা আকাশ ছোঁয় ২০ বছর পর, যখন মানসীর বয়স ২৪। ইন্ডিয়ান আইডলের মাধ্যমে গোটা দেশের কাছে পৌঁছে গিয়েছেন বাংলার মেয়ে। এর আগে ২০২২ সালে সুপার সিঙ্গারে অংশ নিয়েছিলেন মানসী। যদিও সেই প্রতিযোগিতায়, ফাইনাল থেকে তিনি ফেরেন খালি হাতে। দ্বিতীয় হয়েছিলেন। তবে সেই না পাওয়ার ক্ষত পূরণ করে দিয়েছে ইন্ডিয়ান আইডল ২০২৪-২৫।

ইন্ডিয়ান আইডল জিতে ২৫ লাখ টাকা পেয়েছিলেন মানসী। সেই সময় জানিয়েছিলেন যে, রিয়েলিটি শো থেকে উপার্জিত টাকা তিনি গানের পিছনেই খরচ করতে চান। বলেছিলেন, ‘আমার অরিজিনাল মিউজিক বানাব… গানের জন্য যা যা আমাকে করতে হবে, তাতেই এই টাকাটা আমি কাজে লাগাব।’