SSC-র ২৬০০০ চাকরি বাতিল মামলায় বলল সুপ্রিম কোর্ট

Spread the love

২০১৬ সালের পুরো প্যানেলই বাতিল থাকবে – স্কুল সার্ভিস কমিশনের (এসএসসি) মামলার রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, গত বছর এপ্রিলে যে রায় দিয়েছিল শীর্ষ আদালত, সেটাই বহাল রাখা হচ্ছে। ২০১৬ সালের পুরো প্যানেল বাতিল করে দেওয়ার সিদ্ধান্তে যে অনেক ভালো পড়ুয়ার উপরেও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে, তা শীর্ষ আদালত মেনে নিয়েছে। কিন্তু রায় পরিবর্তন করা হচ্ছে না। অর্থাৎ প্রায় ২৬,০০০ চাকরিই বাতিলের রায় বহাল থাকছে বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সেইসঙ্গে শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, যাঁরা ভালো পড়ুয়া, তাঁরা আবার ঠিক চাকরি পেয়ে যাবেন।

প্রায় ২৬,০০০ চাকরি বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনা

এমনিতে প্রাথমিকভাবে ২০১৬ সালের পুরো প্যানেল বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সেই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলা হয়েছিল। কিন্তু যোগ্য এবং অযোগ্য আলাদা করা না যাওয়ায় শীর্ষ আদালতও পুরো প্যানেল বাতিলের নির্দেশ দেয়। সেই রায় পুনর্বিবেচনা করার আর্জি জানানো হয়।

নয়া নিয়োগ প্রক্রিয়ার উপরও স্থগিতাদেশের আর্জি জানানো হয়

মামলাকারীরা দাবি করেন, নয়া নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনেক যোগ্য প্রার্থী বঞ্চিত হয়েছেন। সুযোগ পাননি অনেক যোগ্য প্রার্থীই। সেই পরিস্থিতিতে সেইসঙ্গে এসএসসি যে নয়া নিয়োগ প্রক্রিয়ার উপরে স্থগিতাদেশ জারি করারও আর্জি জানান মামলাকারীরা। যদিও সেই আর্জি খারিজ করে দিল ভারতের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ।

আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে আছে SSC মামলা

এমনিতে গত সপ্তাহে সুপ্রিম কোর্টে এসএসসি সংক্রান্ত একগুচ্ছ মামলা উঠেছিল। সেইসঙ্গে শীর্ষ আদালত স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে একজনও দাগি অযোগ্য প্রার্থীকে চাকরি দেওয়া যাবে না। দিনকয়েক আগে একই কথা বলেছিল হাইকোর্ট। স্পষ্টভাবে বলা হয়েছিল যে কারও নাম যদি দাগি অযোগ্যদের তালিকায় থাকে, তাহলে তিনি বিশেষভাবে সক্ষম প্রার্থী হলেও নয়া নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন না। আর বুধবার সুপ্রিম কোর্টও প্রত্যেক দাগি অযোগ্য প্রার্থীকে বাদ দেওয়ার কথা বলল।

তবে অভিজ্ঞতার জন্য যে প্রার্থীদের ১০ নম্বর দেওয়া হচ্ছে, সেটা বাতিল করতে কিনা, সে বিষয়ে চূড়ান্ত কোনও রায় দেয়নি সুপ্রিম কোর্ট। বরং সেই বিষয়টির পাশাপাশি এসএসসি নিয়োগ সংক্রান্ত যাবতীয় মামলা কলকাতা হাইকোর্টে ফেরত পাঠিয়ে দেয় শীর্ষ আদালত। তারপর শুক্রবার হাইকোর্টে এসএসসি মামলা ওঠে। আজও হাইকোর্টে শুনানি আছে এসএসসি মামলার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *