Terror financing module। জঙ্গি ফান্ডিংয়ের পর্দাফাঁস! অনলাইনে লস্কর-ই-তৈবাকে অর্থ সাহায্য

Spread the love

Terror financing module: জম্মু ও কাশ্মীরে নাশকতার ছক ও জঙ্গিযোগের অভিযোগে বড়সড় সাফল্য পেল পুলিশ। শুক্রবার জম্মুও কাশ্মীর পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, উপত্যকার সোপিয়ান জেলা থেকে ১০ জন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবা (LeT) এবং তার শাখা সংগঠন ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’ (TRF)-কে আর্থিকভাবে সহায়তা করার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ রয়েছে। এই চক্রের হদিশ পেতে বেশ কিছু সন্দেহজনক অনলাইন লেনদেন ও আর্থিক লেনদেনের ইতিহাস খতিয়ে দেখেছেন তদন্তকারীরা।

পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত ব্যক্তিরা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে নানা অজুহাতে টাকা তুলত। সেই সংগৃহীত অর্থের একটি অংশ নিজেদের কাছে রেখে বাকি টাকা বিভিন্ন অনলাইন পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম ও অন্যান্য মাধ্যমের সাহায্যে সরাসরি লস্কর-ই-তৈবা ও টিআরএফ-এর হাতে তুলে দিত। প্রাথমিক তদন্তে এও জানা গিয়েছে যে, এই অবৈধ উপায়ে সংগৃহীত অর্থ দিয়ে জঙ্গিদের জন্য স্মার্টফোন এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কেনা হতো। একাধিক সন্দেহজনক অনলাইন পেমেন্ট ও ট্রানজ্যাকশনের ইতিহাস খতিয়ে দেখে অভিযুক্তদের খোঁজ মিলেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

দীর্ঘদিন ধরে জম্মু ও কাশ্মীরে জঙ্গিদের নাশকতামূলক কার্যকলাপ দমন করতে এবং তাদের আর্থিক উৎস বন্ধ করতে লাগাতার অভিযান চালাচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী। সোপিয়ানের এই ১০ জনের গ্রেফতারি সেই বিশেষ অভিযানেরই একটি বড় অংশ বলে জানিয়েছে পুলিশ। কাশ্মীর পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া ১০ অভিযুক্তের নাম ওয়াইস সফি নাইকু, তাজামুল আহমেদ শাহ, মইজ ইকবাল, ইমদাদ ইউসুফ গনি, শাকিব জাহুর ওয়ানি, আমির আহমেদ গনি, ফিরদৌস ঠোকার, লিয়াকত নাজির লোন, মহম্মদ হানিফ এবং কাজু। ধৃতদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় কঠোর আইনি মামলা রুজু করা হয়েছে। এই আর্থিক তছরুপ ও জঙ্গি-যোগের জাল ঠিক কতদূর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে এবং নেপথ্যে অন্য কোনও বড় মাথা যুক্ত আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে বর্তমানে জোরদার তদন্ত ও তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে সোপিয়ান পুলিশ। এই চক্রের জাল ঠিক কতদূর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

Leave a Reply