Turkey buys record diesel from India: ভারতের থেকে ‘রেকর্ড’ পরিমাণ ডিজেল কিনল তুরস্ক। সংবাদসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডেটা ফার্ম কেপলারের যে পরিসংখ্যান সামনে এসেছে, তাতে অগস্টে ভারতের থেকে দৈনিক ১ লাখ ২০ হাজার ব্যারেলের বেশি ডিজেল আমদানি করেছে পাকিস্তানের ‘বন্ধু’ দেশ। সেখানে আমেরিকা থেকে দৈনিক আমদানিকৃত ডিজেলের পরিমণ ছিল ৯০ হাজার ব্যারেলের বেশি। যা ২০১৭ সাল থেকে কেপলারের কাছে থাকা মাসিক পরিসংখ্যানের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ।
২০২৫ সালে ৮৫% ডিজেল কিনেছিল রাশিয়ার থেকে
এমনিতে রাশিয়া থেকেই আসত তুরস্কের বেশিরভাগ ডিজেল। ওই সংবাদসংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, তুরস্কের সরকারি মহল থেকেই জানানো হয়েছিল যে ২০২৫ সালে রাশিয়া থেকেই ৮৫ শতাংশ ডিজেল এসেছিল। দৈনিক আমদানির পরিমাণ ছিল ২ লাখ ৮১ হাজার ব্যারেলের মতো। যা ২০২৬ সালের অগস্টে কমে দৈনিক ৮০ হাজার ব্যারেল ঠেকেছে বলে কেপলারের পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে।
২০২৬ সালের অগস্টে সেটা কমে ঠেকেছে ২০ শতাংশে
ওই ডেটা ফার্মের পরিসংখ্যান উদ্ধৃত করে রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, জুলাইয়ে রাশিয়া থেকে দৈনিক এক লাখ ব্যারেলের মতো ডিজেল আমদানি করেছিল তুরস্ক (যা বছরের গোড়ার দিকেই দৈনিক দু’লাখ ব্যারেলের মতো ছিল)। অগস্টে সেটা আরও কমে দাঁড়িয়েছিল। ফলে গত মাসে যে পরিমাণ ডিজেল আমদানি করতে হয়েছিল তুরস্ককে, তার মাত্র ২০ শতাংশ এসেছিল রাশিয়া থেকে।
কী কারণে ভারতের থেকে এত ডিজেল আমদানি করল তুরস্ক?
আর সেটার নেপথ্যে আছে রাশিয়ার ডিজেল সংকট। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাশিয়ার তৈল শোধনাগারে ইউক্রেনের আক্রমণ এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল কমে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে রফতানি কমিয়ে দেয় ক্রেমলিন। এমনকী অগস্ট পর্যন্ত রফতানির উপরে নিষেধাজ্ঞাও জারি করে। সেই পরিস্থিতিতে নিজেদের জীবন বাঁচাতে তুরস্ক ভারতের দ্বারস্থ হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

ভারতের কাছেই মাথা নোয়াতে হল পাক বন্ধু তুরস্ককে
অথচ এই তুরস্কের ড্রোন ব্যবহার করে অপারেশন সিঁদুরের সময় পাকিস্তান ভারতে হামলার চেষ্টা করেছিল। এমনকী ভারতের কাশ্মীর ইস্যু রাষ্ট্রসংঘে উত্থাপন করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোগান (ভারত বরাবর বলেছে যে কাশ্মীর দ্বিপাক্ষিক ইস্যু)। আবার সেই অগস্টেই পাকিস্তান এবং সৌদি আরবের সঙ্গে তুরস্ক মক্কা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। কিন্তু বিপদের সময় ভারতের কাছে মাথা নোয়াতে বাধ্য হল তুরস্ক।