নিয়মিত হোমিওপ্যাথি ওষুধ খাচ্ছেন? জানুন ভুল করেও কোন কোন খাবার খাবেন না

Spread the love

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা পদ্ধতির মূল ভিত্তি হলো ‘লাইক কিওরস লাইক’ (Like Cures Like) বা ‘সমঃ সমং শময়তি’ নীতি। অর্থাৎ, যে উপাদান সুস্থ শরীরে রোগের লক্ষণ সৃষ্টি করে, অত্যন্ত সূক্ষ্ম মাত্রায় প্রয়োগ করলে সেই উপাদানই অসুস্থ শরীরকে সুস্থ করে তোলে। বিজ্ঞানের এই সূক্ষ্ম ও প্রাকৃতিক চিকিৎসাধারায় ওষুধের কার্যকারিতা অনেকাংশে নির্ভর করে রোগীর খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রার ওপর।

হোমিওপ্যাথিক ওষুধগুলো মানবশরীরের স্নায়ুতন্ত্র ও জীবনীশক্তি (Vital Force)-র ওপর অত্যন্ত সংবেদনশীলভাবে কাজ করে। তাই কিছু কিছু তীব্র গন্ধযুক্ত, কড়া বা অম্ল জাতীয় খাবার ও পানীয় রয়েছে, যা হোমিওপ্যাথিক ওষুধের অলৌকিক প্রভাবকে নিষ্ক্রিয় বা ধীরগতি সম্পন্ন করে দিতে পারে। নিয়মিত হোমিওপ্যাথি ওষুধ খেলে কোন কোন খাবার ও পানীয় এড়িয়ে চলা উচিত, সেটি জেনে নিন।

হোমিওপ্যাথিক ওষুধগুলো সাধারণত জিহ্বার মিউকাস মেমব্রেন বা স্নায়ুমূলের মাধ্যমে শরীরে শোষিত হয়। মুখের ভেতরের পরিবেশ যদি কড়া কোনো গন্ধ বা অম্ল দিয়ে ঢাকা থাকে, তবে ওষুধের ক্ষমতা হ্রাস পায়। এ কারণে চিকিৎসকরা কিছু নির্দিষ্ট খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকার পরম পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

১. কাঁচা পেঁয়াজ ও কাঁচা রসুন

কাঁচা পেঁয়াজ এবং রসুনে রয়েছে অত্যন্ত তীব্র গন্ধযুক্ত সালফার যৌগ এবং শক্তিশালী ভোলাটাইল অয়েল (Volatile Oils)। এই গন্ধ ও রাসায়নিক উপাদান মুখের ভেতরের স্নায়ুগুলোকে সাময়িকভাবে আচ্ছন্ন করে ফেলে, যার ফলে সূক্ষ্ম হোমিওপ্যাথিক ওষুধের তরঙ্গ শরীরে ঠিকমতো বিস্তার লাভ করতে পারে না। রান্না করা পেঁয়াজ-রসুনে তীব্রতা অনেকটাই কমে যায়, তবে ওষুধ খাওয়ার অন্তত আধ ঘণ্টা আগে-পরে কাঁচা পেঁয়াজ ও রসুন সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলা উচিত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *