পাকিস্তানের ভাট্টি গ্যাং স্ক্যানারে!রুদ্ধশ্বাস গুলির লড়াই! পঞ্জাবের ASIর খুনি নিকেশ

Spread the love

২০২৭ সালে রয়েছে পঞ্জাবের হাইভোল্টেজ ভোটপর্ব। তার আগে, সদ্য পঞ্জাবের অ্যাসিসটেন্ট পুলিশ ইনসপেক্টর হরজিৎ সিংয়ের মৃত্যু ঘিরে তোলপাড় হয় রাজ্য। হরজিতের খুনি দীপক সিংকে সদ্য নিকেশ করেছে পঞ্জাব পুলিশের এক টিম। অমৃতসরে এক রুদ্ধশ্বাস গুলির যুদ্ধের পর দীপকের মৃত্যু হয়। এদিকে, জানা গিয়েছে, অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে হরজিৎ সিংয়ের অপর খুনি, পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে পালাতে পেরেছে।

পাকিস্তানের আইএসআই সমর্থিত শেহজাদ ভাট্টি গ্যাংয়ের সঙ্গে পঞ্জাবের এএসআই-র খুনি দীপকের যোগ রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এএসআই হত্যাকাণ্ডে ভাট্টি গ্যাংয়ের যোগ খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই ভারতের তরফে, শেহজাদ ভাট্টি গ্যাংকে সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে ইউএপিএর আওতায়। আর সেই শেহজাদ ভাট্টি গ্যাংয়ই এবার স্ক্যানারে। অমৃতসরের পুলিশ কমিশনার হরমানবীর সিং গিল বলেছেন, পুলিশ ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে এই হত্যা মামলাটি নিয়ে কাজ করছিল এবং থান্ডা রোডসহ শহরজুড়ে চেকপয়েন্ট বসিয়েছিল। নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়ার পর, পুলিশ রেড অ্যালার্ট জারি করে এবং দীপককে চেকপয়েন্টে থামার সংকেত দেয় । গিল বলেন, দীপক পুলিশ দলের ওপর পাল্টা গুলি চালায় এবং চার রাউন্ড গুলি ছোড়ে। পুলিশ আত্মরক্ষার্থে ছয় রাউন্ড গুলি ছোড়ে, যার মধ্যে একটি তার গায়ে লাগে। তাকে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও পথেই তার মৃত্যু হয়। চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে গিল জানান।

তবে দীপকের সঙ্গে থাকা অপর সন্দেহভাজন পালিয়েছে বলে জানিয়েছে পঞ্জাব পুলিশ। গিল জানান, দীপকের সঙ্গে থাকা আরেক সন্দেহভাজন অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে পালিয়ে গেছে। অমৃতসরের পুলিশ কমিশনার হরমানবীর সিং গিল বলেন, পুলিশ দল তার পিছু ধাওয়া করছে এবং শীঘ্রই তাকে গ্রেফতার করার আশা করছে।

পঞ্জাবের পুলিশ কর্তা গিল বলেছেন, পাকিস্তানে বসবাসকারী এবং বিদেশ থেকে কার্যক্রম পরিচালনাকারী এক ব্যক্তি টাকা ও মাদক ব্যবসায় জড়িত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে অভিযুক্তদের প্রলুব্ধ করেছিল। তিনি অভিযোগ করেন যে, ওই হ্যান্ডলার তাদের আনুগত্যের প্রমাণ চেয়েছিল এবং একজন একাকী পুলিশ কর্মকর্তাকে লক্ষ্য করে হত্যা করার ও সেই ঘটনা রেকর্ড করার দায়িত্ব দিয়েছিল। পঞ্জাব পুলিশ আরও বলছে, হামলাকারীরা গুলিবিদ্ধ হরজিৎ সিংয়ের ভিডিও করে এবং সেই ফুটেজ তাদের হ্যান্ডলারের কাছে পাঠিয়ে দেয়। তিনি বলেন, অভিযুক্তের মোবাইল ফোনের ফরেনসিক পরীক্ষার সময় ভিডিওটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। উল্লেখ্য, শেহজাদ ভাট্টির আস্তানা পাকিস্তানের বাইরে। সে আমিরশাহি থেকে কারবার চালায় বলে জানা যায়। বিভিন্ন রিপোর্ট দাবি করে, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সে নিজের নেটওয়ার্কে সদস্যদের শামিল করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *