₹45 Lakh Seized in ED Raid on Sujit Bose’s Office। সুজিত বসুর অফিস সহ ১৩ জায়গায় ইডি হানায় বাজেয়াপ্ত ৪৫ লাখ টাকা নগদ

Spread the love

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গত ১০ অক্টোবর সুজিত বসুর অফিসে হানা দিয়েছিল ইডি। প্রায় ২০ ঘণ্টা ধরে চলে এই তল্লাশি অভিযান। রিপোর্ট অনুযায়ী, সকালে অভিযান শুরু করার পরে রাত দেড়টা নাগাদ সুজিত বসুর অফিস থেকে বেরিয়ে যায় ইডি। এদিকে সুজিত বসুর ছেলের রেস্তোরাঁতেও তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। সেখানে প্রায় ২২ ঘণটা ধরে চলে অভিযান। ভোররাতে সেখান থেকেও বেরিয়ে যান আধিকারিকরা। সব মিলিয়ে সুজিত এবং তাঁর ঘনিষ্ঠদের সম্পত্তি মিলিয়ে মোট ১৩ জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। আর এই সব অভিযানে সব মিলিয়ে প্রায় ৪৫ লাখ টাকা নগদ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এছাড়া বেশ কিছু নথি বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি। এদিকে ওই টাকা কোথা থেকে মিলেছে, তা স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি ইডি।

উল্লেখ্য, গত ১০ অক্টোবর পুর নিয়োগ মামলার তদন্তে রাজ্যের হেভিওয়েট মন্ত্রী সুজিত বসুর অফিসে ইডি হানা দেয়। সল্টলেক সেক্টর ওয়ানের একটি ভবন ছিল সুজিত বসুর সেই অফিস। এছাড়া বাইপাস সংলগ্ন সুজিত পুত্রের ধাবাতেও হানা দেয় ইডি। এর আগে ২০২৪ সালের ১২ জানুয়ারি পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে লেকটাউনে সুজিতের দু’টি বাড়ি এবং দফতরে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছিল ইডি। সেদিন ১৪ ঘণ্টা ধরে তল্লাশি চালিয়ে বেশ কিছু নথি এবং সুজিত বসুর মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করেছিলেন অফিসাররা।

তার আগে ২০২৩ সালের অক্টোবরে দক্ষিণ দমদম পুরসভার উপ পুরপ্রধান নিতাই দত্তর বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি। সেই সময় নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত নথি উদ্ধার হয়েছিল। নিতাইকে পরে সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করা হয়েছিল। উল্লেখ্য, সুজিত বসু যখন দক্ষিণ দমদম পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন, তখন এই নিতাই দত্ত ছিলেন তাঁর সচিব। রিপোর্ট অনুযায়ী, তদন্তকারীরা আদতে জানতে চাইছেন, ২০১৬ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে সুজিত এবং তাঁর ছেলের রেস্তোরাঁয় যে টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে, তার উৎস কী। এই আবহে সুজিত বসুর চাটার্ড অ্যাকাউন্টেন্টের বাড়িতেও তল্লাশি চালায় ইডি। এছাড়া দক্ষিণ দমদম পুরসভার চেয়ারম্য়ান নিতাই দত্তের বাড়ি ও গোডাউনেও দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালায় ইডি।

প্রসঙ্গত, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রথমে তদন্ত চালাচ্ছিল সিবিআই। স্কুলে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত করতে গিয়ে সিবিআই পুর নিয়োগ দুর্নীতির প্রমাণ পেয়েছিল। স্কুল এবং পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল ব্যবসায়ী অয়ন শীলকে। সেই মামলায় বেইআনি আর্থিক লেনদেনের তদন্ত করতে ইডি তদন্ত শুরু করেছিল। এই মামলায় সিবিআই ইতিমধ্যেই চার্জশিটও দাখিল করেছে সিবিআই। জানানো হয়, অয়ন শীলের মাধ্যমে কলকাতা-সহ ১৬টি পুরসভায় বেআইনি ভাবে চাকরি বিক্রি করা হয়েছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *