দিল্লি, হরিয়ানা পুলিশ এমনকি এনআইএ-র ওয়ান্টেড লিস্টে ছিল হিমাংশু ভাউয়ের নাম। পঞ্জাব, হরিয়ানা, দিল্লিতে একের পর এক অপরাধের সঙ্গে নাম জড়িয়ে ছিল এই হিমাংশু ভাউয়ের। হরিয়ানার সেই গ্যাংস্টার হিমাংশু ভাউ গ্রেফতার আমেরিকায়।
খুন, খুনের চেষ্টা, তোলাবাজি, অপহরণ সহ একাধিক ঘটনায় অভিযোগের কেন্দ্রে ছিল এই হিমাংশু ভাউ। হরিয়ানার রোতহতের রিতোলি গ্রামের এই হিমাংশু, একটা সময় দিল্লি এনসিআর, হরিয়ানা, পঞ্জাবে তার নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে। তার বিরুদ্ধে ইন্টারপোলে রেড কর্নার নোটিসও জারি হয়েছিল। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, বিদেশের মাটিতে বসে, ভারতের একাধিক রাজ্যে সে তার অপরাধের নেটওয়ার্ক চালাত। শেষমেশ আমেরিকায় এফবিআইয়ের হাতে ধরা পড়ে ভাউ। এদিকে, ভারতে এলভিস যাদবের বাড়ির আশপাশে গুলি চালানোর ঘটনাতেও নাম জড়িয়েছিল ভাউ-র গ্যাংয়ের।
জানা যাচ্ছে, নীরজ বাওয়ানা গ্যাংয়ের হয়ে কাজ করত হিমাংশু। হিমাংশুর সঙ্গে লরেন্স বিষ্ণোই ও গোল্ডি ব্রার গ্যাংয়ের রেষারিষি ছিল বলে জানা যায়। হিমাংশু ও বিষ্ণোই গ্যাং একে অপরের প্রতিপক্ষ ছিল বলেও জানা যায়। প্রসঙ্গত, লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে সদ্য বলিউড স্টার টাইগার শ্রফকে গুলি করার অভিযোগ রয়েছে। মুম্বইতে টাইগারকে গুলি কাণ্ডে অভিনেতা প্রাণে বাঁচলেও, শহরে নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। সেই জায়গা থেকে বিষ্ণোই গ্যাংয়ের নেটওয়ার্ক ঘিরে নানান প্রশ্ন উঠছে। এই জায়গা থেকে, অপরাধের দুনিয়ায় সেই বিষ্ণোই গ্যাংয়ের প্রতিরক্ষ হিমাংশু ভাউয়ের আমেরিকায় গ্রেফতারির ঘটনা বেশ প্রাসঙ্গিক। ভারতের ওয়ান্টেড লিস্টে থাকা হিমাংশু ২০২২ সালে প্রথম পুলিশের নজরে আসে। সেবার ২৪ ঘণ্টার পর পর ৩ খুন করে হরিয়ানায় শিরোনামে আসে হিমাংশু। এরপর থেকে অপরাধের জগতের অন্যতম নাম হয়ে ওঠে হিমাংশু।
