Agnimitra Paul on Troll: শহরকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চান তিনি। বেআইনি পার্কিং যাতে না থাকে তার চেষ্টা করছেন তিনি। শহরকে জঞ্জালমুক্ত করে স্বাভাবিক যাতায়াতের ব্যবস্থা করতেই পথে নেমে কাজ করছেন। শহরকে সুন্দর করে সাজিয়ে তুলতে রাজপথ থেকে শুরু করে ফুটপাত, অলিগলি এবং বাজার এলাকায় ঘুরে কাজ করছেন তিনি। যেখানে-সেখানে পার্কিং নয়, কিংবা বেআইনি ভাবে কোনও দোকান নয়। এই নিয়ে বারেবারে নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul)। প্রয়োজনে আবার ধমক দেন, কখনও আবার বুদ্ধি দেন কীভাবে আরও সুন্দর করে সাজিয়ে তোলা যায়। সম্প্রতি তেমনই একটি বাজারে ঢুকে দোকানের সামনে সাইকেল দেখে ক্ষুব্ধ হন মন্ত্রী। সাইকেল কেন দোকানের সামনে থাকবে সেই নিয়ে বকাঝকাও করেন। মন্ত্রীর সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। সঙ্গে বিস্তর আলোচনাও হয়। এবার সেই ট্রোলারদেরই সপাটে জবাব দিলেন অগ্নিমিত্রা পাল।
রবিবার, ছুটির দিন ট্রোলারদের উদ্দেশে পুরমন্ত্রী বলেন, ‘বাজারের ভিতর সাইকেল ঢুকিয়ে রেখে দিচ্ছে। আমার বক্তব্য, যেখানে দোকান আছে সেখানে সাইকেল রাখবেন না। আমায় ট্রোল করে বলছে, সাইকেল কী মাথায় রাখব? কেন মাথায় রাখবেন? বাজারের বাইরে তো পার্কিং রয়েছে সেখানে রাখুন। যেখানে সেখানে কোনও সাইকেল, মোটরবাইক বা গাড়ি পার্কিং করা যাবে না। আর কথা না শুনলে ফাইন করা হবে। তাই বাজারের ভিতর দোকানের সামনে গাড়ি পার্কিং মোটেই উচিত নয়।’
পাশাপাশি, মানুষের অসুবিধার কথা মাথায় রেখেই পরামর্শ দিয়েছেন পুরমন্ত্রী। বারবার মানুষকে সচেতন করতেই ঘুরে বেড়াচ্ছেন। এমনকী যত্রতত্র সাইকেল, মোটরবাইক রেখে দিলে দুর্ঘটনাও ঘটতে পারে। সেসব যাতে না হয় তাই সাইকেল রাখতে নিষেধ করেছিলেন। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে অগ্নিমিত্রা পাল বলছেন, ‘সাইকেল কার? থানায় জমা নেব? বাজারের মধ্যে সাইকেল রাখার জায়গা? কী ভেবেছ যা খুশি তাই করবে? এটা আগের সরকার নয় যে একটা ঝান্ডা ধরে নিলাম তারপর যা খুশি তাই করব।’

শহরের রাস্তা ও ফুটপাথ দখলমুক্ত রাখা নিয়েও সাম্প্রতিক সময়ে একাধিকবার সরব হয়েছেন অগ্নিমিত্রা পাল। সল্টলেকে পরিদর্শনের সময় ফুটপাথে গাড়ি পার্কিং এবং নির্মাণসামগ্রী রাখার ঘটনায় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। পথচারীদের চলাচলের জায়গা কোনওভাবে দখল করা যাবে না বলে নির্দেশও দিয়েছিলেন। শহরের বিভিন্ন বাজার ও রাস্তা পরিদর্শনের সময় ফুটপাথে গাড়ি পার্কিং এবং নির্মাণসামগ্রী রাখার ঘটনায় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। পথচারীদের চলাচলের জায়গা কোনওভাবেই দখল করা যাবে না বলে নির্দেশও দিয়েছিলেন। শহরের বিভিন্ন বাজার ও রাস্তা পরিদর্শনের সময় বেআইনি পার্কিং, ফুটপাথ দখল এবং অপরিচ্ছন্নতা নিয়ে আধিকারিকদের পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিচ্ছেন পুরমন্ত্রী।