Japan Vs India T20i Match Report। জাপানের কাছে ৫ ওভারে ৩২ রানেই আটকে গেল ভারত

Spread the love

ইতিহাসের ম্যাচ, কিন্তু বৃষ্টির বাধায় রোমাঞ্চের পরিমাণ কমল না, বরং বেড়ে গেল। জাপানের মাটিতে প্রথম বার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মুখোমুখি ভারত ও জাপান। সানো ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট গ্রাউন্ডে মঙ্গলবারের এই একমাত্র টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি হওয়ার কথা ছিল ২০ ওভারের। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ বৃষ্টির কারণে খেলা শুরু হতে দেরি হয়। শেষ পর্যন্ত ম্যাচ নামিয়ে আনা হয় ৫ ওভারে। সেই বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। তবে প্রত্যাশিত ঝড় তোলার বদলে ৫ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৩২ রানেই থামেন শ্রেয়সরা। আর সেই রান তাড়া করতে নেমে জাপান ৫ ওভারে ৩০ রানই করতে পারে ৩ উইকেটে। এই আবহে ভারত জিতে যায় ২ রানে।

মাত্র পাঁচ ওভারের ম্যাচে শুরু থেকেই ভারতের ব্যাটিংয়ে চাপ ছিল। প্রথম ওভারেই অভিষেক শর্মাকে হারায় ভারত। তিনি মাত্র ১ বল খেলে শূন্য রানে ফেরেন। তার পর কিছুটা সময় টিকলেও ৭ বলে ৯ রান করে আউট হন সঞ্জু স্যামসন। ওপেনিং জুটির ব্যর্থতার পরে দলের রান তোলার দায়িত্ব এসে পড়ে অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ারের উপর। ইশান কিষাণও বেশি দূর এগোতে পারেননি। ৬ বলে ৩ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি।

ব্যাট হাতে ভারতের হয়ে সবচেয়ে বেশি রান করেন শ্রেয়স। ১২ বলে ১৬ রান করেন তিনি। তাঁর ইনিংসে ছিল একটি চার। তবে ৪.৫ ওভারে তিনিও আউট হয়ে যান। শেষ পর্যন্ত তিলক বর্মা ৩ বলে ১ এবং শিবম দুবে ১ বলে কোনও রান না করে অপরাজিত থাকেন। পাঁচ ওভারের শেষে ভারতের রান দাঁড়ায় ৩২-৪। জাপানের বোলারদের মধ্যে চার্লি হারা-হিনজে ২টি উইকেট নেন। ইব্রাহিম তাকাহাশি এবং বেঞ্জামিন ইটো-ডেভিস পান একটি করে উইকেট।

৩৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে জাপানও ধীর গতিতে শুরু করে। তবে প্রথম তিন ওভারে তারা ১৮ রান তুলে নেয়। লাচলান ইয়ামামোতো-লেক রান আউট হয়ে ফিরে যান। ইব্রাহিম তাকাহাশিকেও ফেরান ওয়াশিংটন সুন্দর। তিন ওভারের শেষে জাপানের রান ছিল ১৮-২। এরপর অধিনায়ক কেন্ডেল কাদোওয়াকি-ফ্লেমিং এবং বেঞ্জামিন ইটো-ডেভিস মিলে দলকে লক্ষ্যের কাছে নিয়ে যেতে থাকেন।

চতুর্থ ওভারে আবার গুরুত্বপূর্ণ ধাক্কা খায় জাপান। ওয়াশিংটন সুন্দরের বলে ১২ রান করে কাদোওয়াকি-ফ্লেমিং আউট হন। তাঁর ইনিংসে ছিল একটি চার। চতুর্থ ওভার শেষে জাপানের স্কোর দাঁড়ায় ২৫-৩। ফলে শেষ ওভারে জয়ের জন্য তাদের প্রয়োজন আরও ৮ রান। ক্রিজে ছিলেন বেঞ্জামিন ইটো-ডেভিস এবং আলেকজান্ডার শিরাই-প্যাটমোর। শেষ ওভারে পাঁচ রান দিয়ে ভারতের মুখ রক্ষা করেন অক্ষর। তবে এর মধ্যেও ছিল চরম নাটক। ওভারের প্রথম দুই বলে ১ রান দেন অক্ষর। তারপর তৃতীয় বলটি ওয়াইড হয়। এর পরের বলটিও ওয়াইড দেন আম্পায়ার। তবে তখন অক্ষর এবং অধিনায়র শ্রেয়স দাবি করেন, ব্যাটার রিভার্স সুইপ খেলছেন, তাতে লেগসাইডের ওয়াইড দেওয়া উচিত নয়। পরে আম্পায়ার সেই সিদ্ধান্ত পালটে ফেলেন। নয়ত ম্যাচে ভারতের জয়ের ব্যবধান ২ রানের বদলে ১ হতে পারত। এমনকী ম্যাচের রঙও পালটে যেতে পারত তাতে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *