Mohan Bhagwat on Regime Change in India। ভারতেও ‘ক্ষমতা বদলের ছক’ সফল হবে? বড় দাবি RSS প্রধানের

Spread the love

Mohan Bhagwat on Regime Change in India: ‘ক্ষমতা বদলের ছক’ নিয়ে ভারতকে সতর্ক করলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) প্রধান মোহন ভাগবত। মঙ্গলবার ‘বিজয়া দশমীর’ সকালে সংঘ প্রধান দাবি করেন, ভারত যে উন্নতির পথে এগিয়ে চলেছে, অনেকে সেটা বরদাস্ত করতে পারছে না। কিন্তু সেই শক্তি কখনওই ভারতে ‘ক্ষমতা বদলের ছক’ কার্যকর করতে পারবে না বলে আত্মবিশ্বাসের সুরে জানিয়েছেন সংঘ প্রধান। তাঁর কথায়, ‘ভারতে আগে এরকম কখনও হয়নি। আর আগামিদিনেও হবে না।’

‘ক্ষমতা বদলের’ আন্দোলনে আদতে কোনও লাভ হয় না, মত ভাগবতের

ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা (এসআইআর) বিরোধী আন্দোলন এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফা দাবিতে চলা বিক্ষোভের আবহে দাঁড়িয়ে সংঘ প্রধান দাবি করেছেন, ‘ক্ষমতা বদলের’ আন্দোলন আদতে মৌলিক সমস্যার সমাধান করে না। বরং রাজনৈতিক স্বার্থের অস্ত্র হয়ে উঠতে পারে সেরকম আন্দোলন। সমাধানসূত্র বের করার পরিবর্তে সমাজের মধ্যে বিভাজন তৈরির বিষয়টা ত্বরান্বিত করতে পারে।

নিজেদের ধান্দায় ক্ষমতা বদলের আন্দোলন, মত সংঘ প্রধানের

বাংলাদেশ, নেপাল, আলবানিয়া, ফ্রান্সের মতো দেশে ক্ষমতা বদলের আন্দোলনের উদহারণ দিয়ে সংঘ প্রধান দাবি করেছেন, নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থে বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী সরকার পরিবর্তনের চেষ্টা করেছে। নিজেদের স্বার্থে ক্ষমতা বদলের বিষয়টিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে থাকে ওই গোষ্ঠী। তাঁর কথায়, ‘ওরা দাবি করে যে ক্ষমতা বদল হলে পরিস্থিতির পরিবর্তন হবে। কিন্তু সেটা ঠিক কখনও হয়নি।’

ভারতে কেন ‘ক্ষমতা বদলের ছক’? জানালেন ভাগবত

সেই রেশ ধরে ভাগবত এটাও ব্যাখ্যা করেছেন যে সেই ‘ক্ষমতা বদলের ছক’ কেন ভারতে কার্যকর করার চেষ্টা চলছে। তাঁর কথায়, ‘ভারত প্রধান টার্গেট (হয়ে দাঁড়িয়েছে) কারণ ভারত এগিয়ে চলেছে। এইসব অশুভ শক্তি জানে যে, গত কয়েক দশকে ভারত যেভাবে দৃঢ় নীতি নিয়ে মেনে এগিয়ে গিয়েছে, তাতে ওভাবে তারা ভারতকে আঘাত করতে পারবে না… (তাই) ওরা ভারত এবং সংঘকে ভেঙে ফেলার চেষ্টা করছে।’

তাঁর মতে, গণতন্ত্রে প্রতিবাদ হওয়া স্বাভাবিক। সেটা অস্বাভাবিক ঘটনা নয়। কিন্তু সেই প্রতিবাদের উদ্দেশ্য হওয়া উচিত সমাধান খোঁজা, যাতে মানুষের কল্যাণ হয়। এমন প্রতিবাদ হওয়া উচিত নয়, যেখানে কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা কোনও নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বা কোনও মতাদর্শের বিরুদ্ধে শত্রুভাবাপন্ন মনোভাব বৃদ্ধি পাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *