ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভসহ দেশটির বিভিন্ন জায়গায় বড় আকারে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এ ঘটনায় এক শিশুসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। একইসঙ্গে রাজধানী কিয়েভের বড় অংশ বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে।রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) রাতভর রাশিয়ার হামলায় কিয়েভের একটি উঁচু ভবনে আগুন লেগেছে। এছাড়া রাজধানীর বেশ কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্র লক্ষ্য করেও হামলা হয়েছে।
কিয়েভের মেয়র ভিটালি ক্লিটসকো বলেছেন, রাশিয়ার হামলায় নয়জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে পাঁচজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শহরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত ডিনিপ্রো নদীর পূর্ব তীরের জেলাগুলোতে বিদ্যুৎ বিভ্রাট এবং পানি সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে।
কিয়েভ পোস্ট জানিয়েছে, দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর জাপোরিঝিয়ায় ৭ বছর বয়সি এক ছেলে শিশু নিহত ও তিনজন আহত হয়েছে।
সংবাদমাধ্যটি বলছে, শীতের মাসগুলোকে সামনে রেখে ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে বিমান হামলা জোরদার করেছে রুশ বাহিনী।
কিয়েভ পোস্ট বলছে, স্থানীয় সময় রাত ১টার দিকে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়। আড়াইটার দিকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যায়।
কিয়েভ শহরের সামরিক প্রশাসনের প্রধান টাইমুর তকাচেঙ্কো স্থানীয় সময় রাত আড়াইটার দিকে বলেন, ‘এখন একের পর এক বিস্ফোরণ ঘটছে। ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চলছে। বিমান প্রতিরক্ষা সক্রিয় রয়েছে।’

ইউক্রেনের জ্বালানিমন্ত্রী স্বিতলান গ্রিনচুক বলেন, জ্বালানি স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে রুশ বাহিনী হামলা করেছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমাতে বিশেষজ্ঞরা প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, পরিস্থিতি কিছুটা অনুকূলে আসলে জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানাতে পারবেন এবং পুনরুদ্ধারের কাজ শুরু হবে।