যশ তাঁর ছবি ‘টক্সিক’ নিয়ে খবরের শিরোনামে রয়েছেন। ২৬ আগস্ট প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়া ছবিটি দর্শকদের কাছ থেকে বিশেষ সাড়া পাচ্ছে না। এরই মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবির প্রযোজক আল্লু অরবিন্দের একটি পুরনো বক্তব্য ভাইরাল হয়েছে। সেই বক্তব্যে প্রযোজক অভিনেতা যশের স্টারডম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। এবার যশের মা পুষ্পা অরুণকুমার ছেলের সাফাইয়ে সামনে এসেছেন।
যশের মায়ের মুখে ছেলের সাফাই
২০২৩ সালে ছবির প্রযোজক আল্লু অরবিন্দ একটি মন্তব্য করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘কেজিএফ’-এর আগে যশের কোনও পরিচিতি ছিল না। সম্প্রতি একটি সাংবাদিক বৈঠকে কারও নাম না করে যশের মা পুষ্পা বলেন, ‘কেজিএফ’-এর আগেই তাঁর ছেলে কন্নড় ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের পরিচয় তৈরি করে ফেলেছিলেন।
তিনি বলেন, ‘কেজিএফ’-এর আগে যশ পরপর পাঁচটি হিট ছবি উপহার দিয়েছিল। তাহলে, আপনার দাবি অনুযায়ী যদি সে একজন সাধারণ মানুষ হয়, কেউ না হয়, তাহলে তাকে ভয় পাওয়ার কী আছে? সে তো সন্ত্রাসবাদী নয়। ‘কেজিএফ’-এর আগে সে কে ছিল, সেটা নিয়ে প্রশ্ন তোলার প্রয়োজন নেই। এর আগেও সে ভালো ভালো ছবি দিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘সে অন্য অনেকের মতো বিত্তশালী পরিবারে জন্মায়নি। সে একজন বাসচালকের ছেলে, যে নিজের যোগ্যতায় শীর্ষে পৌঁছেছে। একজন মা হিসেবে আমি ওকে নিয়ে গর্বিত।’
যশের মা আরও যা বললেন
যশের মা পুষ্পা আরও বলেন, তাঁর ছেলের সাফল্য এক রাতের মধ্যে আসেনি। কন্নড় ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে তিনি বছরের পর বছর কাজ করেছেন। দর্শকদের মধ্যে নিজের পরিচিতি তৈরি করার পরই তিনি ‘কেজিএফ’-এর সুযোগ পান। আর সেই ছবিই তাঁকে প্যান-ইন্ডিয়া তারকা হিসেবে পরিচিতি এনে দেয়।
টিমের প্রশংসা করেছিলেন যশ
সম্প্রতি যশকে রজত শর্মার জনপ্রিয় টিভি শো ‘আপ কি আদালত’-এ দেখা গিয়েছিল। সেখানে তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছিলেন, সাফল্য কোনও একজন মানুষের কৃতিত্ব নয়। কথোপকথনের সময় তিনি তাঁর পুরো টিমের পরিশ্রমের প্রশংসা করেন।
পাশাপাশি, একজন লিড অভিনেতার দায়িত্বের কথাও বলেন যশ। তাঁর মতে, আজকের দর্শক অত্যন্ত বুদ্ধিমান। তাঁরা ভালো ও সঠিক কাজের মূল্যায়ন করতে জানেন।

‘টক্সিক’-এর বক্স অফিস কালেকশন
প্রসঙ্গত, যশ অভিনীত ‘টক্সিক’ ছবির বক্স অফিস কালেকশন নিয়েও জোর চর্চা চলছে। প্রায় ৬ দিন আগে মুক্তি পাওয়া এই ছবি নিয়ে দর্শকদের প্রত্যাশা ছিল অনেক। কিন্তু দর্শকদের প্রতিক্রিয়া ও রিভিউ প্রকাশ্যে আসার পর ছবির আয়ে দ্রুত পতন দেখা যায়।
প্রথম দিন ১০১ কোটি টাকা দিয়ে ওপেনিং করা ছবিটি উইকেন্ডে নেমে আসে ৪৮ কোটিতে, যা প্রথম দিনের আয়ের অর্ধেকেরও কম। ছবিটির মোট আয় ইতিমধ্যেই ২১৪ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। অন্যদিকে, বিশ্বব্যাপী ছবিটির সংগ্রহ প্রায় ২৮৫ কোটি টাকা।