Kangana Ranaut: কৃষকদের আন্দোলন নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছয় বছর আগে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে ছিলেন অভিনেত্রীর কঙ্গনা রানাওয়াত এবং দিলজিত দোসাঞ্জ। তবে বর্তমানে কঙ্গনার একটি বক্তব্য শুনে বোঝা যায় যে তিনি দিলজিতের বিরুদ্ধে মনে কোনও ক্ষোভ পুষে রাখেননি। সম্প্রতি গায়কের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে সৃষ্ট বিভ্রান্তি দূর করে তিনি জোর গলায় বলেন, অনলাইনে তৈরি বিবাদ তখনই ব্যক্তিগত শত্রুতা তৈরি করতে পারে না।
সম্প্রতি এনডিটিভিকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে তিনি চলতে থাকার বিবাদের কথা উড়িয়ে দিয়ে বলেন, ‘আমরা একে অপরের বিরুদ্ধে নই। একটি নির্দিষ্ট ঘটনা নিয়ে শুধুমাত্র মতবিরোধ হয়েছিল মাত্র। আমাদের কখনও দেখাই হয়নি। তবে আগামী দিনে দেখা করার ইচ্ছা আছে। ওঁর বিরুদ্ধে বলার কিছুই নেই আমার।’
এই প্রসঙ্গে বলে রাখা ভালো, গত ১২ জুন বড় পর্দায় মুক্তি পেয়েছে। ‘ভারত ভাগ্যবিধাতা’ এবং ‘ম্যায় বাপাস আউঙ্গা’। এই দুটি ছবির মধ্যে একটি ছবিতে কঙ্গনা অভিনয় করেছেন অন্যটিতে অভিনয় করেছেন দিলজিত। দিলজিতকে তাঁর ছবির জন্য শুভেচ্ছা বার্তা পাঠানোর কথা জিজ্ঞাসা করলে কঙ্গনা শুরু হেসে উত্তর দেন, এটা তো বাড়াবাড়ি হয়ে যায়, তাই না?
বিতর্ক প্রসঙ্গে
২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে সরকারি নতুন কৃষি আইনের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী কৃষকদের বিক্ষোভ চলাকালীন কঙ্গনা এবং দিলজিতের মধ্যে মতবিরোধ হয়। সমস্যার সূত্রপাত হয় যখন যখন কঙ্গনা বিক্ষোভস্থলের এক বয়স্কা মহিলার ছবি শেয়ার করেন এবং ভুল করে তাঁকে আগের শাহীনবাগের সিএএ-বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম পরিচিত মুখ হিসেবে চিহ্নিত করেন।

পরিস্থিতি আরও খারাপ করতে, কঙ্গনা দাবি করেন যে ওই মহিলাকে মাত্র ১০০ টাকায় বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার জন্য ভাড়া করা যেত। এই মন্তব্যটি সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে তাৎক্ষণিক ও ব্যাপক ক্ষোভের জন্ম দেয়। এই ভুল তথ্যের বিরুদ্ধে প্রথম যারা সোচ্চার হন, দিলজিৎ ছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম। তিনি প্রমাণ করার জন্য বিবিসির একটি সাক্ষাৎকার শেয়ার করেন যে ওই বৃদ্ধা আসলে পাঞ্জাবের একজন প্রকৃত কৃষক মহিন্দর কৌর।
উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের সময় কঙ্গনা দিলজিৎকে ‘চাটুকার’ এবং ‘করণ জোহরের পোষ্য’ বলে তীব্র আক্রমণ করেন। দিলজিৎও কঠোরভাবে পাল্টা জবাব দেন, প্রতিবাদী নারীদের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষার পাশাপাশি সেই অপমানগুলো থামিয়ে দেন।