‘কঠিন সময় মমতার পাশে’ থাকার বার্তা শত্রুঘ্নর

Spread the love

দিল্লিতে, মমতা-সোনিয়া ও অভিষেক-রাহুল বৈঠকের পর থেকে বুধবার ব্যাপক জল্পনার ঝড় ওঠে। প্রশ্ন ওঠে, তাহলে কি কংগ্রেসে মিশে যেতে পারে তৃণমূল? এই বিষয়ে এদিন মুখ খুলল কংগ্রেস। অন্যদিকে, তৃণমূলে যখন একের পর এক সাংসদের ইস্তফার খবর আসতে শুরু করেছে, তখন সায়নী ঘোষ, শত্রুঘ্ন সিনহাকে নিয়েও জল্পনা তৈরি হয়। তাঁরা কি আদৌ ঘাসফুল শিবিরে থাকবেন! প্রশ্ন ঘুরপাক খায়। এই পরিস্থিতিতে শত্রুঘ্ন সিনহা খুললেন মুখ।

কংগ্রেসের সঙ্গে কি তৃণমূলের মিশে যাচ্ছে? এই প্রশ্নের জবাবে কংগ্রেসের তরফে কেসি বেণুগোপাল বলেন,’ এগুলো ভিত্তিহীন গুজব। টিএমসি এবং কংগ্রেস নেতাদের মধ্যে বৈঠকটি শুধুমাত্র জাতীয় বিষয়গুলোকে আরও কার্যকরভাবে উত্থাপন করার বিষয়ে আলোচনা করার জন্যই ছিল।’ উল্লেখ্য, সোমবারই দিল্লিতে ইন্ডি জোটের বৈঠকে যোগ দিতে দেখা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এরপর সোনিয়া-মমতা বৈঠক ও দেড়ঘণ্টা ধরে চলা অভিষেক-রাহুল বৈঠক নিয়ে বেশ জল্পনা তৈরি হয়। এরপর অবস্থান স্পষ্ট করে দেয় কংগ্রেস।

এদিকে, সদ্য ঘাসফুল শিবিরে যখন একের পর এক তৃণমূল নেতা দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠছেন, তখন আসানসোলের তৃণমূল সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহা বলছেন, ‘ আমার সম্পর্কে অনেক কথাই বলা হয়েছে। কেউ কেউ বলছে যে আমি বিদ্রোহী দলের অংশ। এসবের কোনোটিই সত্য নয়।’ একইসঙ্গে তিনি বলেন,’দুঃসময়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। কঠিন সময় আমিও তাঁর পাশে দাঁড়াব।’

এদিকে, দেশে দীর্ঘ সময় ধরে থাকা প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নরেন্দ্র মোদীর রেকর্ড গড়ার দিনে শত্রুঘ্নকে দেখা যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় মোদীর উদ্দেশে এক পোস্ট করতে। সেখানে এই তৃণমূল সাংসদ বার্তা দেন, ‘একজন প্রকৃত ক্রীড়াবিদসুলভ মনোভাব নিয়ে, আমাদের বন্ধু এবং সমাজ ও জাতির পথপ্রদর্শক—মাননীয় প্রধানমন্ত্রী @narendramodi-কে তাঁর কার্যকালের ১২ বছর পূর্তি উপলক্ষে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি; সম্ভবত এটিই এ যাবৎকালের দীর্ঘতম মেয়াদ। আপনার দীর্ঘ, সুস্থ ও সমৃদ্ধ জীবন কামনা করি। জয় হিন্দ!’এদিকে, মমতা সম্পর্কে বলতে গিয়ে শত্রুঘ্ন বলেন, তিনি ‘কোনও দিনও দিদিকে ছেড়ে’ যাবেন না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *