মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) দুই নেতার এই আলোচনাপর্বকে উভয় দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিকই মনে করা হচ্ছে, যার পেছনে আছে বেশ কিছু কারণও।
ট্রাম্প-মোদির ফোনালাপ সম্পর্কে ওয়াকিবহাল একজন জানিয়েছেন, দুই রাষ্ট্রনেতা যুক্তরাষ্ট্র-ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেছেন। বাণিজ্য, গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি, জ্বালানি, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে দুই নেতা মতবিনিময় করেন।
সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ দেয়া পোস্টে মোদি বলেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে অত্যন্ত উষ্ণ ও আগ্রহী আলোচনা হয়েছে। আমরা আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেছি এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করেছি। বিশ্ব শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির জন্য ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র একসঙ্গে কাজ চালিয়ে যাবে।’
প্রসঙ্গত, একাধিক মিডিয়া রিপোর্টে উঠে এসেছে যে, পাকিস্তানের এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বহরের জন্য ৬৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার মূল্যের উন্নত প্রযুক্তি ও সহায়তা পরিষেবা বিক্রিতে অনুমোদন দিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। আর সেই দিনেই উঠে এলো মোদি ও ট্রাম্পের ফোন কলের খবর।
এদিকে, মোদি ও ট্রাম্পের ফোনালাপের বিষয়ে বেশ কিছু তথ্য উঠে এসেছে। উভয় রাষ্ট্রনেতা অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং অভিন্ন স্বার্থকে এগিয়ে নিতে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে সম্মত হয়েছেন বলে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ব্যক্তিরা জানিয়েছেন।
চলতি বছরের অক্টোবরে গাজা শান্তি পরিকল্পনার সাফল্যের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানান নরেন্দ্র মোদি।

বলা হচ্ছে, ভারতের ওপর ট্রাম্পের ‘শুল্ক-বোমার’ পর দুই রাষ্ট্রনেতার এই ফোনালাপের ঘটনা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। মোদি ও ট্রাম্প ভারত-মার্কিন বৈঠকের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেছেন। বিস্তৃত বৈশ্বিক কৌশলগত অংশীদারিত্ব এবং সকল ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য জোরদার করার যৌথ প্রচেষ্টায় গতি বজায় রাখার গুরুত্বের ওপরেও জোর দিয়েছেন মোদি এবং ট্রাম্প। উভয় নেতা পরস্পরের মধ্যে যোগাযোগ বজায় রাখার বিষয়ে সম্মত হয়েছেন বলে জানা গেছে।