তারেকের বাংলাদেশে বর্ষবরণের উৎসবের নয়া নাম! UNESCO স্বীকৃতি নিয়ে কী বললেন মন্ত্রী?

Spread the love

সদ্য ফেব্রুয়ারি মাসে নতুন নির্বাচিত সরকার পেয়েছে বাংলাদেশ। এর আগে ২০২৪ সালে শেখ হাসিনা সরকারের অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের তখতে বসে অন্তর্বর্তী সরকার। নেতৃত্বে ছিলেন মহম্মদ ইউনুস। এমন এক অবস্থায়, সেদেশে বহু বছর ধরে চলা পয়লা বৈশাখের বর্ষণের উৎসবের নাম হয়, আনন্দ শোভাযাত্রা। তার আগে, এই শোভাযাত্রার নাম ছিল মঙ্গল শোভাযাত্রা। তবে এবার বাংলাদেশের গদিতে তারেক সরকারের আমলে এই শোভাযাত্রার নাম বদল হয়েছে। তা নিয়ে ইউনেস্কোর স্বীকৃতিতে কি প্রভাব পড়বে? মুখ খুললেন বাংলাদেশের মন্ত্রী।

২০২৫ সালে ইউনুস সরকার বাংলাদেশে আসার পর সেদেশের বর্ষবরণ শোভাযাত্রার নামটি পাল্টে দেন। তার নাম হয়, আনন্দ শোভাযাত্রা। তার আগে, অনুষ্ঠানের নাম ছিল মঙ্গল শোভাযাত্রা। মূলত, সেই সময় ‘মঙ্গল’ শব্দ নিয়ে বাংলাদেশে মুসলিম সমাজের একাংশের আপত্তি ছিল বলে জানা যায়। এই শব্দে হিন্দু ধর্মীয় ছাপ ছিল বলে তখন অভিযোগ ওঠে। ফলত, নাম পাল্টায় অনুষ্ঠানের। ২০২৬ সালে বাংলাদেশে এই বর্ষবরণ উৎসবের নাম হয়, বৈশাখী শোভাযাত্রা। এদিন বাংলাদেশের সংস্কৃতি মন্ত্রী বলেন, ‘বড় মিটিং করেছি, এবার থেকে আমাদের সরকারি সিদ্ধান্ত আছে,আমরা এটাকে আনন্দ শোভাযাত্রাও বলব না, মঙ্গল শোভাযাত্রাও বলব না। বাংলাদেশের তারেক রহমান সরকারের সংস্কৃতি বিষয়কর মন্ত্রী নিতাই রায়চৌধুরী বলেন, ‘শোভাযাত্রা হবে যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে। এখানে সমস্ত সাংস্কৃতির প্রদর্শন থাকবে। যার যার মতো ঢোল-বাদ্য, পোশাক-আশাক নিয়ে একটা আনন্দঘন শোভাযাত্রা হবে। এই শোভাযাত্রার নাম হবে “বৈশাখী শোভাযাত্রা”।’

এদিকে, জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা ইউনেস্কোর অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় এখনো ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা অন পহেলা বৈশাখ’ শিরোনামেই অন্তর্ভুক্ত আছে। নাম পরিবর্তনের কারণে ইউনেস্কোর কাছ থেকে পাওয়া স্বীকৃতিতে কোনো প্রভাব পড়বে কিনা, এক প্রশ্নের জবাবে সংস্কৃতি মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা নাম পরিবর্তনের বিষয়টি ইউনেস্কোকে জানিয়ে দেব।’ ফলত, তারেক রহমানের আমলে পয়লা বৈশাখে বাংলাদেশ পেতে চলেছে তার বর্ষবরণ উদযাপনের নয়া নাম। সাংবাদিকদের প্রশ্নে এদিন বাংলাদেশের মন্ত্রী বলেন, পহেলা বৈশাখের শোভাযাত্রার নাম নিয়ে যে বিতর্ক, ‘আমরা তার অবসান চাই। পহেলা বৈশাখ মূলত সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ ও কৃষকের উৎসব। আমরা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ গণতান্ত্রিক সরকার। গণতন্ত্রে বৈচিত্র‍্যের মধ্যে ঐক্য থাকবে। এখন থেকে নববর্ষের শোভাযাত্রা ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ নামে অনুষ্ঠিত হবে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *