এবার দাদাগিরির মঞ্চে দেবের সঙ্গে খেলতে হলেন টলিপাড়ার তারকারা। মঞ্চে দেখা গেল অম্বরীশ ভট্টাচার্য, কাঞ্চন মল্লিক, শ্রীময়ী চট্টোরাজ, সুদীপা চট্টোপাধ্যায়কে। আর এখানেই কাঞ্চনের ৩ বিয়ে নিয়ে মস্করা করতে দেখা গেল দেবকে।
একটি প্রশ্ন করেন দেব ‘প্রত্যেক মানুষের কী আছে?’ যার জবাব আসে, ‘মন’। আর এটা ধরেই দেব বলে বসেন, ‘কাঞ্চনদার আছে কি না জানি না, এতবার মন দিয়েছে তো’! জবাবে পাশ থেকে কাঞ্চন বলে ওঠেন, ‘যত দিচ্ছি না, তত বাড়ছে’।
কাঞ্চনের হয়ে মাঠে নামেন সুদীপা। তিনি বলেন, ‘মানুষ হিসেবে ভালো বলে মেয়েরা বারে বারে ওর প্রেমে পড়ে’। আর এতে দেব অম্বরীশকে দেখিয়ে বলে ওঠেন, ‘তার মানে তুমি বলছ অম্বরীশ ভালো মানুষ নয়?’ আর এতে সুদীপার জবাব, ‘আই ডোন্ট লাইক হিম’!
অম্বরীশ আবার ভীষণ কনফিডেন্স, বলে ওঠেন, ‘আমাকে অসম্ভব পছন্দ করে। বলতে পারছে না বাড়িতে বর আছে, অশান্তি হতে পারে’!
এপিসোডের মাঝে কথা প্রসঙ্গে দেবকে বলতে শোনা যায়, ‘কাঞ্চনদার সঙ্গে আমাদের প্রচুর ঘটনা আছে…’! ব্যস, মাঝপথে দেবকে থামিয়ে দেন কাঞ্চন, ‘ছোট ভাই, চল শো-কে এগিয়ে নিয়ে যাই আমরা’।
প্রসঙ্গত, তিন-তিনবার ভালোবাসা কড়া নেড়েছে কাঞ্চনের জীবনে। ২০১০ সাল নাগাদ অনিন্দিতা দাসের সঙ্গে বিয়ে হয় অভিনেতার। দ্বিতীয় বিয়ে হয় পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। এই বিয়ে থেকে ওশ নামে একটি সন্তানও হয় তাঁর। এরপর ২০২৪ সালে কাঞ্চন মল্লিক ও শ্রীময়ী চট্টোরাজ বিয়ের পিঁড়িতে বসেন। তাঁদের দুই সন্তান– কৃষভি ও কৃষিব।

প্রায় ১৭ বছরের ছোট শ্রীময়ীকে বিয়ে করা নিয়ে হামেশাই ট্রোল হতে হয় কাঞ্চনকে। যদিও বরের হয়ে বরাবরই গলা ফাটান শ্রীময়ী। কদিন আগেও এক সাক্ষাৎকারে স্বামীকে নিয়ে বলেছিলেন, ‘গদাই (কৃষিব, কাঞ্চনের তৃতীয় সন্তান) হওয়ার পর থেকে, কিছু কিছু অমানুষ, তাদের মধ্যে মহিলার শতাংশ বেশি,যারা মহিলা নামে কলঙ্ক, মহিলা বলতে লজ্জা লাগে যাদের, এতই ভালো তাদের রুচিবোধ, যে কাঞ্চনের বয়স নিয়ে এত চিন্তিত, মনে হচ্ছিল কাঞ্চনের মা কাঞ্চনের জন্ম দেওয়ার সময়, বার্থ সার্টিফিকেট এদের হাতে তুলে দিয়ে গিয়েছিল, তাই কাঞ্চনের বয়স ৫৭ নাকি ৬৭, নাকি ১০৭, তার থেকেও তারা অধিক চিন্তিত কাঞ্চন এই বয়সে কি করে বাবা হওয়ার ক্ষমতা রাখছে!’