দিদির ডিগ্রি: একদা নামের সামনে বসাতেন ‘ডঃ’! ইসলামি ইতিহাসে স্নাতকোত্তর

Spread the love

আজই প্রকাশিত হল মাধ্যমিকের ফলাফল। এদিকে আগামিকাল রাজ্যে গঠিত হতে চলেছে রাজ্যের নয়া সরকার। এই আবহে রাজ্যে চর্চায় পড়াশোনা থেকে রাজনীতি। এই সবের মাঝেই খবরে আছেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামীর মুখ্যমন্ত্রী বা মন্ত্রিসভা নিয়ে কৌতুহলের পাশাপাশি মমতার পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়েও কৌতুহল অনেকের। এদিকে আগামিকাল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আসবেন শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে। মোদীর শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে বহু সময় বিরোধীরা প্রশ্ন তুলেছেন। এদিকে একদা মমতার পিএইচডি নিয়ে হয়েছিল বিতর্ক। এই আবহে আপনি কি জানেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিক্ষাগত যোগ্যতা কী? তিনি কোথা থেকে পড়াশোনা করেছেন?

ইতিহাস, ইসলাম ধর্ম, শিক্ষা ও আইনে ডিগ্রি আছে মমতার। রিপোর্ট অনুযায়ী, তৃণমূল কংগ্রেস তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে দাবি করে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর্টস (বিএ), শিক্ষা (বিএড), আইন (এলএলবি) বিষয়ে স্নাতক এবং আর্টস (এমএ) বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। মমতা ১৯৭০ সালে দেশবন্ধু শিশু শিক্ষালয় থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা পাস করেছিলেন। তিনি যোগমায়া দেবী কলেজ থেকে ইতিহাসে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। পরে, তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইসলামি ইতিহাসে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর তিনি শ্রী শিক্ষায়তন কলেজ থেকে শিক্ষায় ডিগ্রি এবং কলকাতার যোগেশ চন্দ্র চৌধুরী আইন কলেজ থেকে আইনে ডিগ্রি লাভ করেন।

১৯৯১ সালে লোকসভা নির্বাচনের সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন যে তিনি আমেরিকার ‘ইস্ট জর্জিয়া ইউনিভার্সিটি’ থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তবে, পরে অভিযোগ ওঠে যে এই নামের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় ছিল না। রাজনৈতিক বিতর্কের মুখে পড়েন তিনি। পরবর্তীতে এই ডিগ্রির কথা উল্লেখ করা বন্ধ করে দেন তিনি। পরে ২০১৮ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সম্মানসূচক ডক্টরেট প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। এই সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয় এবং একজন অবসরপ্রাপ্ত উপাচার্য কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা করে এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেন। অভিযোগ ছিল, এই সম্মান দেওয়া ‘জনস্বার্থের বিরোধী’।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *