জনপ্রিয় গায়ক জুবিন গর্গের মৃত্যুর সাত মাস পর আবারও বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য। ম্যানেজার সিদ্ধার্থ শর্মার বিরুদ্ধে গায়কের প্রায় দেড় কোটি টাকা আত্মসাৎ করার প্রমাণ মিলেছে। এটি গায়কের মৃত্যু মামলার তদন্তে এনে দিতে নতুন মোড়।গত ২৯ এপ্রিল আদালত নির্দেশ দেন সিদ্ধার্থ শর্মার নামে থাকা ও তার মাধ্যমে পরিচালিত ৬টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট অবিলম্বে ফ্রিজ করার।পাশাপাশি শর্মার মালিকানাধীন একটি সংস্থাকে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশও দিয়েছেন আদালত। এ আদেশ দেন বিচারক শর্মিলা ভূঁইয়া।
তিনি জানান, সম্প্রতি মামলার তদন্তকারীরা সিদ্ধার্থ শর্মার বিরুদ্ধে এমন সব নথি আদালতে পেশ করেছেন যা গায়কের ম্যানেজারের বিরুদ্ধে প্রয়াতের টাকা আত্মসাৎ করার প্রমাণ দেয়। এছাড়া শর্মা তার বিশাল অংকের আয়ের সপক্ষে কোনো বৈধ আয়ের নথি বা আয়কর রিটার্ন এখন পেশ করতে পারেনি।
ভারতের ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে বিচার চলা এই মামলায় পুলিশের অভিযোগ, ম্যানেজার সিদ্ধার্থ শর্মার ফার্মে এখন পর্যন্ত যত টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে, তার বড় অংশই জুবিনের কাছ থেকে আত্মসাৎ করে। তাই শর্মার ফার্মটি বন্ধের নির্দেশও দিয়েছেন আদালত।

নর্থ ইস্ট ইন্ডিয়া ফেস্টিভ্যালে গান গাইতে গিয়ে পানিতে ডুবে মারা যান আসামের জনপ্রিয় গায়ক জুবিন গর্গ। প্রথমে স্কুবা ডাইভিং দুর্ঘটনার কথা বলা হলেও পরে গায়কের আকস্মিক মৃত্যুর খবরে আসামের মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এটি খুনের ঘটনা হতে পারে।বর্তমানে গায়কের মৃত্যু রহস্য জানতে আসাম পুলিশের সিআইডির অধীনে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল কাজ করছে। ইতোমধ্যে দলটি গুয়াহাটির একটি আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছে, যেখানে গায়কের মৃত্যুর জন্য সাতজন অভিযুক্তের নাম রয়েছে। সব অভিযুক্তই বিচার বিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন।