‘ধামাকেদার একটা কিছু…’! জিতের সঙ্গে ফের সিনেমা কথা স্বস্তিকার মুখে

Spread the love

সম্প্রতি জি বাংলার দিদি নম্বর ১-এ এসেছিলেন সারেগামাপা-র বিজেতা-প্রতিযোগীরা। ছিলেন অন্বেষা দত্ত, অঙ্কিতা ভট্টাচার্য, আরাত্রিকা মাইতি, সায়ন্তনী ঘোষরা। বরাবরই গানের এই রিয়েলিটি শো বাংলায় ভীষণ জনপ্রিয়। সেখানে দিদি নম্বর ১-এর মঞ্চে তাঁদের পেয়ে খুশি দর্শকরা। শো-র হোস্ট স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে জমিয়ে উপভোগ করেছেন প্রতিযোগীরাও।

জিতের সঙ্গে সিনেমা নিয়ে কী জানালেন স্বস্তিকা?

অন্বেষা দিদি নম্বর ১ চলাকালীন স্বস্তিকাকে জানান, তিনি অভিনেত্রীর অনেক বড় ভক্ত। সঙ্গে আরও বলেন যে, ছোটবেলায় ক্রান্তি দেখেছিলেন, যা ছিল জিৎ ও স্বস্তিকা জুটির অন্যতম হিট সিনেমা। এরপরই অন্বেষার স্বস্তিকার কাছে প্রশ্ন, কবে আবার জুটিতে আসবেন তিনি ও জিৎ।

শুনেই স্বস্তিকা বলে ওঠেন, ‘আরে কবে দেখতে পাব আমিও! কী জানি ওরকম গল্প আবার যবে তৈরি হবে। ধামাকেদার একটা কিছু হতে হবে। অফার এসে গেলেই করে ফেলব।’

জিৎ ও স্বস্তিকার বিচ্ছেদের কারণ কী?

জিতের সঙ্গে প্রেমের কথা একবাক্যে স্বীকার করে নিয়েছেন স্বস্তিকা। এমনকী এটাও জানিয়েছিলেন যে, তাঁদের বিচ্ছেদে সবথেকে কষ্ট পেয়েছিল তাঁর মেয়ে অন্বেষা। এমনকী এখনো মাঝে মাঝে কথা শোনায়, ‘অত সুন্দর ছেলের’ সঙ্গে বিচ্ছেদ নিয়ে। এমনকী, সম্পর্ক ভাঙায় মায়েরই দোষ খোঁজে সে।

শোনা যায়, ডিভোর্সি স্বস্তিকাকে বাড়ির বউ হিসেবে মেনে নিতে পারেনি জিতের পরিবার। যদিও অভিনেত্রীর সঙ্গে তাঁর স্বামী প্রমিত সেনের ডিভোর্সের মামলা এখনো ঝুলে রয়েছে। আইনত তাঁদের ডিভোর্স হয়নি বলেই বছরখানেক আগে জনান অভিনেত্রী।

অন্বেষার সারেগামাপা জয়

২০১৪ সালে সারেগামাপা জিতে নিয়েছিলেন অন্বেষা। নিজের সেই জার্নি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে অন্বেষা জানান, ‘সারেগামাপা আমার কাথে একটা শুধু একটা মঞ্চ নয়, আমার গোটা জীবন। ছোট ছিলাম, খুব ঝাড় খেয়েছি। সারেগামাপা আসলে তোমাকে এক স্ট্রং বানাবে যে, পরবর্তী জীবনটায় যখন ১০ঘণ্টার জার্নি করে বিদেশে যাবে, গিয়েই শো করবে, টানা শ্যুট করবে, তখনো তোমার এনার্জি ডাউন হবে না। ঝাড় খেয়ে খেয়ে তোমাকে এরা এতটাই শক্ত করে দেবে যে, কোনো কিছুই কখনো ভাঙতে পারবে না।’

স্বস্তিকার দিদি নম্বর ১ জার্নি

মে মাসে দিদি নম্বর ১ থেকে আচমকাই বাদ পড়েন শো-র দীর্ঘদিনের সঞ্চালিকা রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেই দায়িত্ব যায় স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের হাতে। শুরুর দিকে অনেক ট্রোলের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। তবে নিজস্ব ঢঙেই সামলেছেন সবটা। বরং, আন্তরিক ব্যাবহার, মিষ্টি হাসি, সাবলীল সঞ্চালনা দিয়ে দর্শক মনে জায়গা করে নিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *