ইন্ডাস্ট্রির অভিনেতা অভিনেত্রীদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা পারিবারিক সূত্রে এই পেশার সঙ্গে যুক্ত আবার অনেকেই আছেন যারা বহিরাগত। যারা পরিবারিক সূত্রে এই পেশার সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন, তাদের বেশিরভাগ শুনতে হয় স্বজনপোষণের কথা। টলিউড বা বলিউড যেখানেই হোক না কেন, ‘নেপোটিজম’ এই কথাটি ভীষণ একটা কমন শব্দ।
কিন্তু ব্যাপারটা যদি উল্টো হয়? যদি সন্তানের হাত ধরে বাবা মায়েরা ক্যামেরার সামনে এসে দাঁড়ান, তাহলে কেমন হয়? তবে কি স্বজনপোষণের কথা বলা যায়? সম্প্রতি এমনই কাণ্ড ঘটে গেল টলিউডের। ঘটালেন অঙ্কুশ হাজরা। ছেলের হাত ধরে এই প্রথম ক্যামেরার সামনে এসে দাঁড়ালেন অঙ্কুশ হাজরার মা।
সোশ্যাল মিডিয়ায় মায়ের সঙ্গে একগুচ্ছ ছবি শেয়ার করেছেন অভিনেতা যেখানে দেখা যাচ্ছে অঙ্কুশ একটি কালো পাঞ্জাবি পরে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। সঙ্গে সবুজ রঙের শাড়ি পরে মন দিয়ে স্ক্রিপ্ট দেখছেন অঙ্কুশের মা। কাজের ফাঁকে মাকে জড়িয়ে একটি ছবিও পোস্ট করেছেন অঙ্কুশ।ছবিগুলি পোস্ট করে অঙ্কুশ লেখেন, ‘প্রথমবার মায়ের সঙ্গে একটি বিজ্ঞাপনের শ্যুট করছি। ১৬ বছর ধরে কাজ করছি কিন্তু আসল ট্যানট্রম কাকে বলে আজ বুঝলাম। ইন্ডাস্ট্রিতে তোমাকে স্বাগত নেপো মা! অঙ্কুশের এই পোষ্টের কমেন্ট বক্সে বিক্রম চট্টোপাধ্যায়, মিমি চক্রবর্তী ভালোবাসার ইমোজি দিয়েছেন।’
প্রসঙ্গত, রাহুলের মৃত্যুর পর ফেডারেশন এবং ফোরামের ডাকা মিটিংয়ে উপস্থিত থাকতে পারেননি অঙ্কুশ হাজরা। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোষ্টের মাধ্যমে তিনি জানান, বাড়িতে মেডিকেল ইমার্জেন্সি হওয়ার কারণে তিনি উপস্থিত থাকতে পারছেন না মিটিংয়ে। যদিও বৈঠকে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে তার প্রতি তিনি যে পূর্ণ সমর্থন জানাচ্ছেন সে কথাও তিনি জানিয়েছেন পোষ্টের মাধ্যমে।

প্রসঙ্গত, গতবছর ‘রক্তবীজ ২’ ছবিতে অসাধারণ অভিনয় করতে দেখা যায় অঙ্কুশ হাজরাকে। এই সিনেমায় অভিনেতা খলনায়কের চরিত্রে অভিনয় করেন। চলতি বছর মুক্তি পায় অঙ্কুশের ‘নারী চরিত্র বেজায় জটিল’। কিন্তু এই সিনেমাটি দুর্ভাগ্যবশত বক্স অফিসে তেমন ফলাফল করতে পারেনি।