প্রিয় বন্ধু তাপসের জন্মবার্ষিকীতে মন খারাপ প্রসেনজিতের

Spread the love

একটা সময় বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির প্রথম সারির অভিনেতা বললেই প্রথমেই মনে পড়ে যেত প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, তাপস পালের কথা। শুধু কাজের ক্ষেত্রে নয়, ব্যক্তিগত পরিসরেও প্রসেনজিৎ এবং তাপস পালের বন্ধুত্ব ছিল ভীষণ। তার একটা কারণও ছিল বটে। একজনের জন্ম ২৯ সেপ্টেম্বর অন্যজনের ৩০ সেপ্টেম্বর।

তাপস পালের জন্মবার্ষিকীতে তাই বারবার মনে পড়ে যায় পুরনো বন্ধুর কথা। মাত্র একদিন আগেই বন্ধুর জন্মদিন কিন্তু আজ সেই বন্ধু এই পৃথিবীতে নেই। পড়ে রয়েছে শুধু স্মৃতি। ২০২০ সালে যখন আচমকাই না ফেরার দেশে চলে গেলেন তাপস পাল, তখন বন্ধুর স্মৃতি সযত্নে বুকে আগলে ধরে এতগুলো বছর কাটিয়ে ফেলার অঙ্গীকার করেছিলেন প্রসেনজিৎ।

তাপস পালের মৃত্যুর ৬ বছর পরেও তাই প্রিয় বন্ধুর সঙ্গে সময় কাটানো, হাসি ঠাট্টা সবকিছুই মনে পড়ে যায় প্রসেনজিতের। তাপস পালের জন্মবার্ষিকীতে তাই প্রসেনজিৎ লেখেন, ‘একসাথে কত বছর, কত গল্প, কত হাসি, ২৯ সেপ্টেম্বর এলেই আজও কত স্মৃতি মনে পড়ে যায়। তোকে খুব মনে পড়ে রে। শুভ জন্মদিন রে, তাপস। যেখানে থাকিস, ভালো থাকিস।’

প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের এই ক্যাপশন দেখে চোখে জল চলে আসে নেটপাড়ার বাসিন্দাদের। শুধু তাই নয়, ক্যাপশনের সঙ্গে ছবিটি পোস্ট করেছেন সেই ছবিও যেন কত কথা বলে যায়। সাদাকালো সেই ছবিতে তরুণ প্রসেনজিৎ এবং তাপস পালকে দেখে যেন এক লহমায় ফিরে যেতে ইচ্ছা করে নব্বই দশকে।

তাপস পাল এবং প্রসেনজিৎ একসঙ্গে অভিনয় করেছিলেন ‘আপন আমার আপন’, ‘প্রতিশোধ’, ‘প্রাণের চেয়ে প্রিয়’, ‘নয়নের আলো’ সহ বহু ছবিতে। তাপস পালের মৃত্যুর পর অভিভাবক হয়ে প্রসেনজিৎ দাঁড়িয়ে ছিলেন সোহিনী এবং নন্দিনীর পাশে। শুধু শিল্পী হয়ে নয়, ব্যক্তিগত পরিসরেও বারংবার বন্ধুর পরিবারকে আগলে রেখেছেন টলিউডের ইন্ডাস্ট্রি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *