মহানায়কের জন্মশতবর্ষ উদযাপনের প্রস্তুতিতে শুভেন্দুর ডাকে অনুপস্থিত দেব!

Spread the love

কিংবদন্তি অভিনেতা মহানায়ক উত্তমকুমার শুধু শিল্পীই নন, তিনি আপামর বাঙালির কাছে একটা আবেগ। যাকে ভগবানের আসনে বসিয়েছেন অনেকেই। কিংবদন্তি উত্তমকুমারের জন্মশতবর্ষ উদযাপনে একাধিক উদ্যোগ নিতে চলেছে বাংলার বিজেপি সরকার। বৃহস্পতিবার একটি আলোচনাসভা ডেকেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারি। যাতে যোগ দিয়েছিলেন তথ্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী পূর্ণিমা চক্রবর্তী সহ বিজেপির বেশ কয়েকজন বিধায়ক। সঙ্গে তারকাদের মধ্যে দেখা মলল মিঠুন চক্রবর্তী, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, রাজ চক্রবর্তী, মমতা শংকর, রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, রুদ্রনীল ঘোষ, গৌতম ঘোষ, জিৎ, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, চিরঞ্জিত চক্রবর্তী, যিশু সেনগুপ্ত, সৃজিত মুখোপাধ্যায়, বনি সেনগুপ্ত, ইমন চক্রবর্তী দিতিপ্রিয়া রায়ের মতো তারকাদের।

তবে অবাক করা ব্যাপার হল টলিউডের বড় বড় সব মাথারা এই আলোচনাসভায় উপস্থিত থাকলেও, ছিলেন না দেব। এর আগেও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রেকফাস্টের আসরে বিক্ষুব্ধ তৃণমূলী সাংসদ, যারা বর্তমানে ‘ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া’ (NCPI)-য় যোগ দিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে তাঁকে দেখা যায়নি।

আর দেবের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্নে রুদ্রনীল ঘোষ বলেন, ‘এখানে মিঠুন চক্রবর্তীর মতো ব্যক্তি এসেছেন, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় রয়েছেন, আমাদের জিৎ রয়েছেন, আবির রয়েছে। সবাই এলে ভালো লাগত। যাদের যাদের আমন্ত্রণ করা হয়েছে। দেব কেন আসেনি বলতে পারব না। হয়তো শ্যুটিং নিয়ে ব্যস্ত। কলকাতার বাইরে থাকতেও পারে। এলে ভালো লাগত সবাই মিলে।’

সঙ্গে রুদ্রনীল আরও স্পষ্ট করে দেন যে, ‘সম্মানীয় মুখ্যমন্ত্রী স্টেজ থেকে স্পষ্ট করে বলে দিয়ছেন, আমরা আগের সরকারের মতো এখানে উপস্থিত হতেই হবে, ইলেকশনে দাঁড়াতেই হবে, রাজনৈতিক প্রচারে যেতেই হবে, এসব বলব না, চিন্তা নেই। সবার করতালিতে বোঝা গেল যে কতটা শান্তি পেল। যে যন্ত্রণায় ওঁদের আগের সরকার আটকে রেখে দিয়েছিল।’

ইন্ডাস্ট্রির জ্যেষ্ঠপুত্র বৈঠক শেষে সংবাদমাধ্যমকে জানান, ‘আমাদের ইন্ডাস্ট্রির অনেকেই আসতে পারেননি কাজের দন যেহেতু। অনেকেই আবার এসেছিলেন। আমরা ইন্ডাস্ট্রির তরফ থেকে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাতে চাই যে, উত্তমকুমারের জন্মশতবর্ষ উদযাপন নিয়ে উনি ভেবেছেন। এটা আমাদের বাঙালির ইমোশন। উনি ভাবছেন। বেশ বড় করে ভাবছেন। এটা যাতে গোটা বছরজুড়ে হতে পারে, শুধু কলকাতা নয়, কলকাতার বাইরে, বিদেশেও হতে পারে। আজকে সবাই খুব চার্জডআপ হয়ে গিয়েছে। যাতে আগামী ৩ তারিখ থেকে গোটা শহরটা বুঝতে পারে আমাদের মহানায়কের শতবর্ষ। ওঁর যে কোটি কোটি ভক্ত রয়েছে, তাঁদের সবাইকে আমরা ইনভলভ করতে চাই এই ব্যাপারটায়।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *