যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্পের আলটিমেটাম

Spread the love

গাজা যুদ্ধ বন্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০ দফা পরিকল্পনার বিষয়ে ইতিবাচক সাড়া দিতে পারে হামাস। একইসঙ্গে প্রস্তাবের কিছু বিষয়ে সংশোধনী চাইবে ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীটি।যুদ্ধ বন্ধে আলোচনার সাথে পরিচিত সূত্রের বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) টাইমস অব ইসরাইলের প্রতিবেদেন এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সূত্র জানিয়েছে, আরব মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে হামাসের আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। গাজা যুদ্ধ অবসানে যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা নিয়ে এই আলোচনা চলছে। সূত্রটি জানিয়েছে, হামাসের পক্ষ থেকে আজকের মধ্যেই জবাব আসতে পারে।

গত মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) হোয়াইট হাউস থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ইসরাইলি ও আরব নেতারা তার পরিকল্পনাটি গ্রহণ করেছেন এবং আমরা কেবল হামাসের জন্য অপেক্ষা করছি। জবাব দেয়ার জন্য হামাস প্রায় তিন বা চার দিন সময় পাবে।

এ সময় ট্রাম্প সতর্কবার্তা জানান যে, হামাস রাজি হবে অথবা রাজি হবে না। যদি রাজি না হয় তাহলে খুব খারাপ পরিণতি হবে। শান্তি পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনার সুযোগ আছে কিনা জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, খুব বেশি নয়।

টাইমস অব ইসরাইল বলছে, ট্রাম্পের ২০ দফার পরিকল্পনার বিষয়ে হামাসের প্রতিক্রিয়া ‘ইতিবাচক’ হতে পারে। তবে তারা প্রস্তাবিত পরিকল্পনায় কিছু সংশোধন চাইবে।

সূত্র বলছে, ট্রাম্পের ২০ দফার পরিকল্পনা চূড়ান্ত হওয়ার আগে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু কয়েকটি ধারা পরিবর্তন আনেন।

টাইমস অব ইসরাইলকে সূত্রটি আরও জানায়, হামাসের সংশোধনের বিষয়ে কাতার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ করছে।

গত ২৩ সেপ্টেম্বর গাজা যুদ্ধ বন্ধে আট আরব ও মুসলিম দেশের নেতার সঙ্গে বৈঠক করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেখানে তারা ২১ দফা নিয়ে আলোচনা করেন। এরপর আরব নেতারা জানান, ট্রাম্পের সঙ্গে যে আলোচনা হয়েছে এতে ধারণা করা হচ্ছে, গাজার যুদ্ধ বন্ধ হবে।

তবে আরব ও ইসলামিক নেতাদের সঙ্গে ট্রাম্প যেসব দফা নিয়ে আলোচনা করেছিলেন, সেগুলোতে বড় পরিবর্তন এনেছেন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। ট্রাম্পের সঙ্গে সোমবারের বৈঠকের আগে শেষ মুহূর্তে এসব পরিবর্তন আনেন তিনি।

মধ্যস্থতাকারী আরব দেশের একজন কূটনীতিক এ সপ্তাহের শুরুতে টাইমস অব ইসরাইলকে বলেন, গাজা থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার বিলম্বিত ও হামাসকে নিরস্ত্র করার মতো কিছু বিষয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে নেতানিয়াহু শেষ মুহূর্তে পরিবর্তন করতে সক্ষম হন। এ বিষয়ে মিশর ও কাতার ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *