রবিবার থেকে শুরু দাদাগিরি! দেবকে কি পরামর্শ সৌরভের?

Spread the love

জি বাংলায় জলদিই শুরু হচ্ছে দাদাগিরি-র ১১ নম্বর সিজন। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় শো ছাড়ার পর দীর্ঘ বিরতি, তারপরই নতুন করে শুরুর ঘোষণা জি বাংলার সবচেয়ে জনপ্রিয় এই রিয়েলিটি শো-র। আর নতুন সিজনে সঞ্চালকের ভূমিকায় দেখা মিলবে বাংলার সুপারস্টার অভিনেতা দেবের।

‘নতুন দাদা’ শুনে কী প্রতিক্রিয়া দেবের?

বুধবার ছিল দাদাগিরি-র প্রথম এপিসোডের শ্যুটিং। ‘বাংলার নতুন দাদা’ শুনেই বলে উঠলেন, ‘নতুন দাদা কি না জানি না, তবে নতুনভাবে আসছি।’ তিনি দাদাগিরি-র দায়িত্ব কাঁধে তোলার পর থেকেই নেটপাড়ায় নানা মুনির নানা মত। কিন্তু দেবের সঙ্গে কি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের এই নিয়ে কোনো কথা হয়েছে। ‘পুরনো দাদা’র পক্ষ থেকে এসেছে কোনো পরামর্শ?

দেবের সঙ্গে কী কথা হল সৌরভের?

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে দেব বললেন, ‘দাদা (সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়) আমাকে প্রচুর টিপস দিয়েছে। দাদা খুব খুশি এই জায়গাটা আমি নিয়েছি বলে। সবাই জানো দাদার সঙ্গে আমার খুব ভালো সম্পর্ক। এমন না আমি দাদাকে রিপ্লেস করেছি। সবাই আরো ভালো চায়। দাদার মনে হয়েছে অন্য কিছু, চ্যানেলের মনে হয়েছে অন্য কিছু। আমারও সেরকমই কিছু মনে হয়েছে। যা হয় ভালোর জন্য হয়। আমি খুব খুশি। আশা রাখব দর্শকরা ১০টা সিজন ধরে যেমন দাদাগিরি দেখে এসেছেন, ১১ নম্বর সিজনটা যেন অতটাই ভালো বা তার থেকে ভালো করতে পারি আমি।’

এখানেও দেবের ‘সঙ্গী’ শুভশ্রী

দাদাগিরি-র গ্র্যান্ড ওপেনিং হতে চলেছে ৫ জুলাই। দেখা যাবে রাত ৯টায়। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, সুনীল ছেত্রী এবং শানের মতো তারকাদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানের জমকালো গ্র্যান্ড ওপেনিং দেখতে পাবেন দর্শকরা। এমনকী দেবকে সঙ্গ দিতে আসবেন তাঁর সহ-অভিনেত্রী, পুরনো ভালোবাসা শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়ও। দেবের প্রায় প্রত্যেক শুরুতেই তিনি সামিল। তা সে প্রথম প্রযোজনা ধূমকেতু হোক বা প্রথম পরিচালনা দেশু সেভেন। আর এবার দাদাগিরি-র শুরুতেও বন্ধুকে সাপোর্ট করতে এলেন রাজ-ঘরণী।

শুধু সৌরভ নন, বিদায় অরিজিতেরও

তবে দাদাগিরিতে কিন্তু শুধু সঞ্চালক বদলায়নি। বরং বদলেছে এই শো-এর টাইটেল ট্র্যাকও। শুরু থেকেই অরিজিতের কণ্ঠে যে গান শুনতে পেতেন দর্শকরা, তা গিয়েছে বাদ। এবার থেকে শোনা যাবে ঈশান মিত্রর গাওয়া গান।

নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে আশাবাদী দেব

অর্থাৎ নতুন মোড়কে একগুচ্ছ চমক নিয়ে হাজির নির্মাতারা। দেবের কথায়, ‘দাদাগিরি বাংলার সব থেকে বড় শো। নম্বর ১ শো গত ১৮ বছর ধরে। ভালোবাসা পেয়ে আসছে মানুষের। এমন একটা শো যা বুদ্ধিজীবী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের সকলের কাছের। আমি আর আমার টিম সবসময় চেষ্টা করব যাতে মানুষের সেই ভরসা রাখতে পারি। দর্শককে হতাশ না হতে হয়।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *