স্ত্রীকে এক নাইটিতে ফেলে রেখে যায় কুলাঙ্গার স্বামী

Spread the love

কোনদিনও ভাবিনি আমাকে হুইলচেয়ারে বসতে হবে।হ্যাঁ যে মেয়েটা একদিন সাইকেল চালাতো,সাঁতার কাটতো,নৌকা চালাতো।সে আজ পঙ্গু। না সেটা কোনও দুর্ঘটনায় ঘটেনি।হঠাৎ করে হাঁটতে চলতে পারা পম্পার হাত,পা অকেজো হতে শুরু করে,আর সুন্দরী পরিশ্রমী মেয়েটি অকেজো হয়ে যাওয়ায় তাঁর গুণধর স্বামী গরীব বাপেরবাড়িতে ফেলে রেখে পালায়।একদিন যে মেয়েটির সব ছিল,আজ সেই মেয়েটি নিঃস্ব।নিজের মেয়ে,স্বামী,শ্বশুরবাড়ি থেকেও আজ তাঁর কেউ নেই।মেয়েকে ফোন করলে মেয়ে ফোন ধরতে চায় না,খোঁজ তো অনেক দূর।আর স্বামী সে তো পম্পার নম্বর ব্লক করে দিয়েছেন।

দীর্ঘ ৭ বছর ধরে বনগাঁয় মাটির ঘরের এক চৌকিতেই দিন কাটছেন ৩২ বছরের মেয়েটির।বাবা ভোর থেকে ভ্যান চালায়,বাড়ি ফিরে মেয়েকে দেখে অঝোরে কাঁদতে থাকে।নিরূপায় বাবার সামর্থ্য নেই মেয়ের চিকিৎসা করাবে।মাত্র ১৬ বছর বয়সে জোর করেই শ্বশুরবাড়ির লোক বিয়ে করে নিয়ে যায়।ভ্যান চালক বাবাকে প্রতিশ্রুতি দেয় পম্পাকে পড়াবে।কিন্তু পড়ানো তো দূর,দিন রাত সংসারের কাজ করত পম্পা।এরপর কোল আলো করে এলো কন্যা সন্তান। সব ভালোই চলছিল।মেয়ে যখন বড় হতে শুরু করল,তখন পম্পার পায়ের তলা ঝালা করতে থাকে।একদিন মেয়েকে নিয়ে স্কুল যাওয়ার পথে টোটোতে আর উঠতে পারেনি পম্পা।পা অসম্ভব ভারী হয়ে যায়,এরপর আস্তে আস্তে হাঁটা চলা বন্ধ হয়ে যায়। তারপর থেকেই স্বামী,শাশুড়ির চক্ষুশূল হয়ে যায় পম্পা।পম্পাকে এক নাইটিতে ভ্যান চালক বাবার বাড়ি ফেলে রেখে যায় কুলাঙ্গার স্বামী।

সেই থেকে আজও অপেক্ষা করে যায় পম্পা।চিকিৎসার খরচ তো দূর একবার খোঁজ নেয় না বেঁচে আছে কিনা।আজ সেই অসহায় গরীব মেয়েটি নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়,নিজের চুল আঁচড়াতে চায়,স্নান,জামা পরিবর্তন করতে চায়।কিন্তু চিকিৎসা না করালে কিছু সম্ভব নয়।পম্পাকে আগের মতন সুস্থ করতে, নিজের পায়ে দাঁড়াতে যতটুকু সম্ভব ভিডিওতে থাকা নম্বরে কিংবা পিন কমেন্টে থাকা বিবরণে পাঠিয়ে পম্পাকে আগের মতন স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে দিন।গরীর অসহায় মেয়েটির পাশে থাকলে উপরওয়ালা আপনার পাশে থাকবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *